ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাজার নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণ সাথে থাকলে যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব। তিনি বলেন, জনগণই সরকারের মূল শক্তি। তাদের সাথে নিয়ে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে ওঠাও সম্ভব বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

সাম্প্রতিক বিশ্ব-বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, করোনার মতো যুদ্ধকালীন সংকট থেকেও দেশকে মুক্ত করতে হবে। এ সময় নিত্য পণ্যের বাজারে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি একার পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। বাজারে সরবরাহ যাতে ব্যহত না হয়, সে ব্যপারে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, “চাল, ভোজ্যতেলের বাজার এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। আমাদের মজুত আছে ।”

মঙ্গলবার একনেক সভায় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেকের সভায় গণভবন থেকে ভার্চুয়াল যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, অহেতুক প্রকল্প হাতে নেওয়া যাবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই করোনার মতো অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবেলা করার পরামর্শও দেন তিনি।

যে কোন প্রকল্প হাতে নেওয়ার আগে দেশের মানুষের উপকারে আসবে কিনা তা বিবেচনার নির্দেশনা দেন সরকার প্রধান।

চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত ধরে রাখার তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের উন্নয়নে কাজে লাগে এমন প্রকল্পই হাতে নিতে হবে।

সভার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভায় অংশগ্রহণ করায় শুভেচ্ছা জানান মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা। এ ছাড়া তাকে ৭৬তম জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানানো হয়।

এরপর সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, একনেক সভায় ৭ হাজার ৮৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭ টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় প্রকল্প ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প।

তিনি আরও জানান, এই প্রকল্পের মূল ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। এখন সংশোধিত হয়ে প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে আরও ৫ হাজার ৩৯ কোটি টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাজার নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৩:০৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণ সাথে থাকলে যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব। তিনি বলেন, জনগণই সরকারের মূল শক্তি। তাদের সাথে নিয়ে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে ওঠাও সম্ভব বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

সাম্প্রতিক বিশ্ব-বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, করোনার মতো যুদ্ধকালীন সংকট থেকেও দেশকে মুক্ত করতে হবে। এ সময় নিত্য পণ্যের বাজারে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি একার পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। বাজারে সরবরাহ যাতে ব্যহত না হয়, সে ব্যপারে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, “চাল, ভোজ্যতেলের বাজার এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। আমাদের মজুত আছে ।”

মঙ্গলবার একনেক সভায় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেকের সভায় গণভবন থেকে ভার্চুয়াল যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, অহেতুক প্রকল্প হাতে নেওয়া যাবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই করোনার মতো অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবেলা করার পরামর্শও দেন তিনি।

যে কোন প্রকল্প হাতে নেওয়ার আগে দেশের মানুষের উপকারে আসবে কিনা তা বিবেচনার নির্দেশনা দেন সরকার প্রধান।

চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত ধরে রাখার তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের উন্নয়নে কাজে লাগে এমন প্রকল্পই হাতে নিতে হবে।

সভার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভায় অংশগ্রহণ করায় শুভেচ্ছা জানান মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা। এ ছাড়া তাকে ৭৬তম জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানানো হয়।

এরপর সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, একনেক সভায় ৭ হাজার ৮৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭ টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় প্রকল্প ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প।

তিনি আরও জানান, এই প্রকল্পের মূল ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। এখন সংশোধিত হয়ে প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে আরও ৫ হাজার ৩৯ কোটি টাকা।