বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রেকে হারিয়ে সুপার এইটে ভারত বাংলাদেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নি‌ল ওমান তিস্তা মহাপরিকল্পনার বর্তমান পরিস্থিতি জানালেন প্রধানমন্ত্রী ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে : প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনীতি-রাজনীতি ধ্বংস করেছে সরকার : মির্জা ফখরুল বেনজিরের আরও সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ কুয়েতে শ্রমিক আবাসন ভবনে আগুন, নিহত ৪১ এমপি আনার হত্যার তদন্ত সঠিক পথেই এগুচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ইউনূসকে বিচারের নামে হয়রানি করা হচ্ছে: ব্যারিস্টার খোকন বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ড. ইউনূসের বক্তব্য অসত্য: আইনমন্ত্রী আদালতে খাঁচার ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা অপমানজনক: ড. ইউনূস মূল্যস্ফীতির হার সাড়ে ৬ শতাংশে নামানো অবাস্তব: সিপিডি বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে বিমান বাহিনীর প্রধানের শ্রদ্ধা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযানে ৬ ফিলিস্তিনি নিহত সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় তৃতীয় বাংলাদেশ

বিশিষ্ট সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : মে ১৯, ২০২২
আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই

বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই। স্থানীয় সময় বুধবার রাতে লন্ডনে মারা যান তিনি। তিনি কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র রচয়িতা।

১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়ার চৌধুরীবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। তার বাবা হাজী ওয়াহিদ রেজা চৌধুরী ও মা জহুরা খাতুন। ১৯৫০ সালে ‘দৈনিক ইনসাফ’ পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। মহিউদ্দিন আহমদ ও কাজী আফসার উদ্দিন আহমদ তখন ‍‘দৈনিক ইনসাফ’ পরিচালনা করতেন। ১৯৫১ সালে ‘দৈনিক সংবাদ’ প্রকাশ হলে গাফফার চৌধুরী সেখানে অনুবাদকের কাজ নেন। এরপর তিনি বহু পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন।

মাসিক সওগাত, দিলরুবা, মেঘনা, ইত্তেফাক, আজাদ, জেহাদ ও পূর্বদেশসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন বরেণ্য এই সাংবাদিক। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সপরিবারে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আগরতলা হয়ে কলকাতা পৌঁছান। সেখানে মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র সাপ্তাহিক জয়বাংলায় লেখালেখি করেন। এ সময় তিনি কলকাতায় দৈনিক আনন্দবাজার ও যুগান্তর পত্রিকায় কলামিস্ট হিসেবেও কাজ করেন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দৈনিক জনপদ বের করেন।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস, স্মৃতিকথা, ছোটদের উপন্যাসও লিখেছেন তিনি। ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’, ‘সম্রাটের ছবি’, ‘ধীরে বহে বুড়িগঙ্গা’, ‘বাঙালি না বাংলাদেশী’সহ তার প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা প্রায় ৩০। এছাড়া তিনি কয়েকটি পূর্ণাঙ্গ নাটক লিখেছেন। এর মধ্যে আছে ‘পলাশী থেকে বাংলাদেশ’, ‘একজন তাহমিনা’ ও ‘রক্তাক্ত আগস্ট’।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। ১৯৬৩ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার পান তিনি। এছাড়া বাংলা একাডেমি পদক, একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদকসহ আরও অনেক পদকে ভূষিত হয়েছেন।


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ