ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাস উদ্বোধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা মিঠামইনে নবনির্মিত দেশের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাস’র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা ২২ মিনিটে মিঠামইন সদরের ঘোড়াউত্রা নদীর তীরে নবনির্মিত সেনানিবাসের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এই সেনানিবাস হাওর অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করবে ।

এর আগে বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে মিঠামইন সেনানিবাসের হেলিপ্যাডে পৌঁছান। এ সময় তিনি রাষ্ট্রীয় অভিবাদন গ্রহণ করেন। কুচকাওয়াজ পরিদর্শনের পর সেনানিবাসে ৪টি ইউনিট এবং এসএসডি জাজিরা এর পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে ইউনিটগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় ও জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তাসহ হাওরাঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ৩৫০ কোটি ৩৪ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ব্যয়ে ২৭৫ একর জায়গায় আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো হাওরের বুকে নবনির্মিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাসের।

২৭৫ একরের ওপর নির্মিত এই সেনানিবাসকে গড়ে তোলার কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। বিশ্বমানের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে এই সেনানিবাসকে। যেখানে আছে সর্বাধুনিক মিলিটারি স্পিডবোট। যেগুলোর ৯০ ভাগই দেশে নির্মিত। এই সেনানিবাসের আওতায় থাকবে একটি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল রিসেল, যা থেকে যুদ্ধকালীন সময়ে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। একসঙ্গে ৫ হাজার সেনা অবস্থান করতে পারবে এই সেনানিবাসে। সব বিবেচনায় মিঠামইন রিভারাইন সেনানিবাস বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাস উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০১:২১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা মিঠামইনে নবনির্মিত দেশের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাস’র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা ২২ মিনিটে মিঠামইন সদরের ঘোড়াউত্রা নদীর তীরে নবনির্মিত সেনানিবাসের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এই সেনানিবাস হাওর অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করবে ।

এর আগে বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে মিঠামইন সেনানিবাসের হেলিপ্যাডে পৌঁছান। এ সময় তিনি রাষ্ট্রীয় অভিবাদন গ্রহণ করেন। কুচকাওয়াজ পরিদর্শনের পর সেনানিবাসে ৪টি ইউনিট এবং এসএসডি জাজিরা এর পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে ইউনিটগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় ও জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তাসহ হাওরাঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ৩৫০ কোটি ৩৪ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ব্যয়ে ২৭৫ একর জায়গায় আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো হাওরের বুকে নবনির্মিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাসের।

২৭৫ একরের ওপর নির্মিত এই সেনানিবাসকে গড়ে তোলার কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। বিশ্বমানের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে এই সেনানিবাসকে। যেখানে আছে সর্বাধুনিক মিলিটারি স্পিডবোট। যেগুলোর ৯০ ভাগই দেশে নির্মিত। এই সেনানিবাসের আওতায় থাকবে একটি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল রিসেল, যা থেকে যুদ্ধকালীন সময়ে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। একসঙ্গে ৫ হাজার সেনা অবস্থান করতে পারবে এই সেনানিবাসে। সব বিবেচনায় মিঠামইন রিভারাইন সেনানিবাস বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট।