ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতে পেঁয়াজের কেজি সর্বোচ্চ ৫ রুপি, সর্বনিম্ন ৫০ পয়সা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মে ২০২২ ৬৮ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রতিবেশী দেশ ভারতে কৃষকদের কাঁদিয়েই চলেছে পেঁয়াজ। মহারাষ্ট্রের নাশিক, ধুলে, এমনকি বিদর্ভ জেলায় নিত্যপণ্যটির দাম একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়- বুলধানা, অমরাবতী ও আকোলার মতো এলাকায় ক্ষেত থেকে প্রতি কেজি ভালো মানের পেঁয়াজ ৩-৫ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।

আর কৃষকরা জানান, পেঁয়াজ নিম্নমানের হলে কেজিপ্রতি ৫০ পয়সা থেকে ২ রুপিতে বিক্রি করতে হচ্ছে।

নাগপুরের কালামনায় কৃষি উৎপাদন বিপণন কমিটির উঠানে এক কেজি পেঁয়াজ ৯ থেকে ১০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে তা অবশ্যই হতে হচ্ছে সেরা মানের।

এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, খারাপ মানের পেঁয়াজ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে পানির দরে।
তারা বলেন, ক্ষেত থেকে কালামনায় পেঁয়াজ আনতে কৃষকদের খরচ হয় কেজিপ্রতি ১ দশমিক ৬০ থেকে ২ রুপি।

খুচরা বিক্রেতারা তা বিক্রি করছেন প্রতি কেজি ১৫ থেকে ২০ রুপিতে।

এখন পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়নি ভারত। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তা পর্যাপ্ত রপ্তানি করতে পারছে না দেশটি। কারণ, কন্টেইনার সংকট রয়েছে। আগেরগুলোই খালাস না হওয়ায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, রপ্তানির সুযোগ পেলে পেঁয়াজের দাম আবারও বাড়তে পারে।
এ আশায় অনেক কৃষক নিত্যপণ্যটি গুদামজাত শুরু করেছেন।

আকোলার আকোলি জাঙ্গির গ্রামের বাসুদেব খান্ডেরাও জানান, প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫ রুপি হওয়ায় আর বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই সঙ্গে গুদামজাত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিনি।

তবে এ পথে হাঁটলে কৃষকদের খরচ বাড়বে নিশ্চিত।

ভারতের ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন (এনএএফইডি) নাশিক, ধুলে, জলগাঁও ও পুনেতে পেঁয়াজ কেনা শুরু করেছে। তবে বিদর্ভে এমন কোনো উদ্যোগ নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারতে পেঁয়াজের কেজি সর্বোচ্চ ৫ রুপি, সর্বনিম্ন ৫০ পয়সা

আপডেট সময় : ০২:০০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মে ২০২২

প্রতিবেশী দেশ ভারতে কৃষকদের কাঁদিয়েই চলেছে পেঁয়াজ। মহারাষ্ট্রের নাশিক, ধুলে, এমনকি বিদর্ভ জেলায় নিত্যপণ্যটির দাম একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়- বুলধানা, অমরাবতী ও আকোলার মতো এলাকায় ক্ষেত থেকে প্রতি কেজি ভালো মানের পেঁয়াজ ৩-৫ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।

আর কৃষকরা জানান, পেঁয়াজ নিম্নমানের হলে কেজিপ্রতি ৫০ পয়সা থেকে ২ রুপিতে বিক্রি করতে হচ্ছে।

নাগপুরের কালামনায় কৃষি উৎপাদন বিপণন কমিটির উঠানে এক কেজি পেঁয়াজ ৯ থেকে ১০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে তা অবশ্যই হতে হচ্ছে সেরা মানের।

এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, খারাপ মানের পেঁয়াজ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে পানির দরে।
তারা বলেন, ক্ষেত থেকে কালামনায় পেঁয়াজ আনতে কৃষকদের খরচ হয় কেজিপ্রতি ১ দশমিক ৬০ থেকে ২ রুপি।

খুচরা বিক্রেতারা তা বিক্রি করছেন প্রতি কেজি ১৫ থেকে ২০ রুপিতে।

এখন পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়নি ভারত। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তা পর্যাপ্ত রপ্তানি করতে পারছে না দেশটি। কারণ, কন্টেইনার সংকট রয়েছে। আগেরগুলোই খালাস না হওয়ায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, রপ্তানির সুযোগ পেলে পেঁয়াজের দাম আবারও বাড়তে পারে।
এ আশায় অনেক কৃষক নিত্যপণ্যটি গুদামজাত শুরু করেছেন।

আকোলার আকোলি জাঙ্গির গ্রামের বাসুদেব খান্ডেরাও জানান, প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫ রুপি হওয়ায় আর বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই সঙ্গে গুদামজাত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিনি।

তবে এ পথে হাঁটলে কৃষকদের খরচ বাড়বে নিশ্চিত।

ভারতের ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন (এনএএফইডি) নাশিক, ধুলে, জলগাঁও ও পুনেতে পেঁয়াজ কেনা শুরু করেছে। তবে বিদর্ভে এমন কোনো উদ্যোগ নেই।