মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে মন্দিরগামীদের নিয়ে নৌকাডুবি, ২৪ জনের লাশ উদ্ধার, অনেকেই নিখোঁজ ডিএনসিসি মেয়র, ওয়াসা এমডিকে কারাগারে পাঠাতে চান নদী কমিশন চেয়ারম্যান নতুন মূল্য নির্ধারণ: পাম অয়েলে কমলো ১২ টাকা, চিনিতে ৬ টাকা বেনজীরের বিদায়, পুলিশের নতুন আইজি মামুন, র‌্যাবের ডিজি খুরশীদ ডলারে অতিরিক্ত মুনাফার অভিযোগ থেকে মুক্ত ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি কর্তারা শত অনিয়মের আখড়া ছিল ই-ভ্যালি, ছিলনা আয়-ব্যয়ের হিসাব ১৬ কোটি মানুষের কাছে কৃতজ্ঞতা সাফজয়ী অধিনায়ক সাবিনার ল্যাব থাকলেও টেস্ট ছাড়াই হালাল সনদ দেয় ইসলামিক ফাউন্ডেশন ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ও সোনার বাংলা ক্যাপিটাল’র আমানত-দায় শেয়ারে রূপান্তর, চুক্তি সকল শক্তি দিয়েও নদী দখলকারীদের উচ্ছেদ করা যাচ্ছেনা: টুকু হংকংকে হারিয়ে সুপার ফোর নিশ্চিত করল ভারত প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা ষড়যন্ত্রে সরকারি দলের লোকজন জড়িত হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন খালেদা জিয়া বিএনপি-জামাতের সম্পর্ক ভেতরে অটুট: কাদের দেশে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

মজুরি বাড়ানোর দাবিতে টানা নবম দিনে চা শ্রমিকদের ধর্মঘট

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : আগস্ট ২১, ২০২২
মজুরি বাড়ানোর দাবিতে টানা নবম দিনে চা শ্রমিকদের ধর্মঘট

সংকট কাটেনি চা শিল্পের। ৩০০ টাকা দৈনিক মজুরি বাড়ানোর দাবিতে টানা নবম দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করছেন চা শ্রমিকরা। কিন্তু মালিকপক্ষ দাবি অনুযায়ী মজুরি না বাড়ানোর সিদ্ধান্তে অনড়। ফলে চা শিল্পে একটি অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। রোববার (২১ আগস্ট) সকালে চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি পালন করতে দেখা গেছে।

বারবার বৈঠক, মজুরি ২৫ টাকা বাড়িয়ে ১৪৫ টাকা ঘোষণা এবং চা শ্রমিক নেতাদের নমনীয়তার পরও সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের সাধারণ চা শ্রমিকরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যেতে অনড়। সরকার প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা শ্রমিকের বাস্তব অবস্থা উপলব্ধি করে দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানান। ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে বিভিন্ন বাগানে বিক্ষোভ করছেন তারা।

এর আগে টানা কর্মবিরতির অষ্টম দিনের শেষে শ্রীমঙ্গলে শ্রম অধিদপ্তরে বৈঠকের পর কর্মবিরতি স্থগিতের কথা জানান নেতারা। ১৪৫ টাকা দৈনিক মজুরি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনার আশ্বাসে নেতারা এমন ঘোষণা দিলেও সাধারণ শ্রমিকরা তা প্রত্যাখ্যান করে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কাজে যোগ না দেবার সিদ্ধান্ত নেন।

এদিকে শনিবার (২০ আগস্ট) রাতেই নিজেদের বক্তব্য প্রত্যাহার করে শ্রমিকদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা জানান চা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা।

সংকট দূর না হওয়ায় ব্যাপক লোকসানে পড়েছে চা শিল্প। ভরা মৌসুমে চা চয়ন ও প্রক্রিয়াকরণ বন্ধ থাকায় বাগানেই নষ্ট হচ্ছে সতেজ চয়নযোগ্য চা পাতা। এতে ক্ষতি হচ্ছে শত কোটি টাকা। ব্যাপকভাবে ব্যাহত হবে চা উৎপাদন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ