ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মজুরি বৃদ্ধি প্রত্যাখান, চা শ্রমিকদের ধর্মঘট অব্যাহত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২ ৫২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চাশ্রমিকদের ২০ টাকা মজুরি বৃদ্ধিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন শ্রমিকরা। আগের দাবিতেই তাঁরা অব্যাহত রেখেছেন ধর্মঘট। এর আগে গতকাল বুধবার শ্রম অধিদপ্তরে চা শ্রমিক ও বাগান মালিকদের মধ্যে বৈঠক হয়। সেখানে বাগান মালিকদের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের মজুরি ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকার কথা জানানো হয়।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা জানান, তারা বর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয়টি বিবেচনায় এনে বৈঠকে মালিক পক্ষের কাছে ৩০০ টাকা মজুরি দাবি করেন। মালিক পক্ষ মাত্র ২০ টাকা মুজুরি বৃদ্ধির ঘোষণা দেন। যা দিয়ে তাদের সাংসারিক ব্যয় মেটানো সম্ভব না।’ বিজয় হাজরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

আজ বৃহস্পতিবারও দেশের ১৬৭টি চা বাগানের মতো মৌলভীবাজারের ৯২টি চা বাগানে শ্রমিকরা ধর্মঘট পালন করেন।

উল্লেখ্য গত ৯ আগস্ট থেকে শ্রমিকরা ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে ধর্মঘটে নামেন। এরপর ১৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট পালন করে আসছেন। যদিও ১৪ ও ১৫ আগস্ট দুদিন ধর্মঘট স্থগিত রাখেন তাঁরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

মজুরি বৃদ্ধি প্রত্যাখান, চা শ্রমিকদের ধর্মঘট অব্যাহত

আপডেট সময় : ০৮:৫০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২

চাশ্রমিকদের ২০ টাকা মজুরি বৃদ্ধিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন শ্রমিকরা। আগের দাবিতেই তাঁরা অব্যাহত রেখেছেন ধর্মঘট। এর আগে গতকাল বুধবার শ্রম অধিদপ্তরে চা শ্রমিক ও বাগান মালিকদের মধ্যে বৈঠক হয়। সেখানে বাগান মালিকদের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের মজুরি ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকার কথা জানানো হয়।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা জানান, তারা বর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয়টি বিবেচনায় এনে বৈঠকে মালিক পক্ষের কাছে ৩০০ টাকা মজুরি দাবি করেন। মালিক পক্ষ মাত্র ২০ টাকা মুজুরি বৃদ্ধির ঘোষণা দেন। যা দিয়ে তাদের সাংসারিক ব্যয় মেটানো সম্ভব না।’ বিজয় হাজরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

আজ বৃহস্পতিবারও দেশের ১৬৭টি চা বাগানের মতো মৌলভীবাজারের ৯২টি চা বাগানে শ্রমিকরা ধর্মঘট পালন করেন।

উল্লেখ্য গত ৯ আগস্ট থেকে শ্রমিকরা ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে ধর্মঘটে নামেন। এরপর ১৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট পালন করে আসছেন। যদিও ১৪ ও ১৫ আগস্ট দুদিন ধর্মঘট স্থগিত রাখেন তাঁরা।