ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মন্ত্রীর পদত্যাগ চাইলো যাত্রী কল্যাণ সমিতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মে ২০২২ ৯৪ বার পড়া হয়েছে

টিটিই’র বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহারসহ মন্ত্রীর পদত্যাগ চাইলো যাত্রী কল্যাণ সমিতি

বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মন্ত্রণালয়ের কাজে স্ত্রীর অনৈতিক নির্দেশনা প্রদানের দায়ে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের পদত্যাগের দাবী জানিয়েছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

রোববার (৮ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতাসীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে যেখানে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করছেন, সেখানে কিছু কিছু মন্ত্রীর স্ত্রীদের অবৈধ আদেশ-নির্দেশ পালনের ফলে বিভিন্ন দপ্তরের কাজে অনিয়ম-দুর্নীতি এখন আকাশচুম্বী।

বিবৃতিতে বলা হয়, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীরা মন্ত্রীর স্ত্রীদের পৃষ্টপোষকতায় ৮ থেকে ১০ বছর ধরে স্বপদে থেকে টাকার কুমিরে পরিণত হচ্ছে। এতে করে অনেক দপ্তর এখন আমলাদের হাতে জিম্মি। ফলে যোগাযোগ সেক্টরে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। জনগণের টাকা লুটপাট চলছে।

মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, তিনি (মন্ত্রী) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মতো একটি কচ্ছপ গতির মন্ত্রণালয়ে যেখানে একটি জনবান্ধব সিদ্ধান্ত নিতে বছরের পর বছর ফাইল আটকা থাকে সেখানে অফিস খোলার সাথে সাথে একজন কর্তব্যরত টিটিইকে কিভাবে বরখাস্ত করা হলো, দরখাস্ত কোন সময় গ্রহণ করা হলো, কখন যাচাই-বাছাই করা হলো, কে এই অভিযোগ রিসিভ করলো, কে বরখাস্তের আদেশ অনুমোদন করলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্ত্রীর পদত্যাগ চাইলো যাত্রী কল্যাণ সমিতি

আপডেট সময় : ০১:২২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মে ২০২২

মন্ত্রণালয়ের কাজে স্ত্রীর অনৈতিক নির্দেশনা প্রদানের দায়ে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের পদত্যাগের দাবী জানিয়েছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

রোববার (৮ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতাসীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে যেখানে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করছেন, সেখানে কিছু কিছু মন্ত্রীর স্ত্রীদের অবৈধ আদেশ-নির্দেশ পালনের ফলে বিভিন্ন দপ্তরের কাজে অনিয়ম-দুর্নীতি এখন আকাশচুম্বী।

বিবৃতিতে বলা হয়, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীরা মন্ত্রীর স্ত্রীদের পৃষ্টপোষকতায় ৮ থেকে ১০ বছর ধরে স্বপদে থেকে টাকার কুমিরে পরিণত হচ্ছে। এতে করে অনেক দপ্তর এখন আমলাদের হাতে জিম্মি। ফলে যোগাযোগ সেক্টরে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। জনগণের টাকা লুটপাট চলছে।

মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, তিনি (মন্ত্রী) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মতো একটি কচ্ছপ গতির মন্ত্রণালয়ে যেখানে একটি জনবান্ধব সিদ্ধান্ত নিতে বছরের পর বছর ফাইল আটকা থাকে সেখানে অফিস খোলার সাথে সাথে একজন কর্তব্যরত টিটিইকে কিভাবে বরখাস্ত করা হলো, দরখাস্ত কোন সময় গ্রহণ করা হলো, কখন যাচাই-বাছাই করা হলো, কে এই অভিযোগ রিসিভ করলো, কে বরখাস্তের আদেশ অনুমোদন করলো।