শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গ্রুপ ‘সি’: চমকে দিতে চায় উগান্ডা-পাপুয়া নিউগিনি এফএ কাপের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ডার্বি উপকূলীয় এলাকায় লঞ্চ চলাচল বন্ধের নির্দেশ আনারের মাংসের ‘কিমা’ বানিয়ে কমোডে ফ্ল্যাশ করে খুনীরা আনারের মরদেহের পাশে বসেই খাবার খান হত্যাকারীরা বিশ্বজুড়ে গড় আয়ু কমেছে প্রায় ২ বছর : ডব্লিউএইচও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আসছে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত টাকা পাচারের অভিযোগ দেরিতে আসায় ব্যবস্থা নিতে বেগ পেতে হচ্ছে: দুদক পাকিস্তানে মূল্যস্ফীতি বাড়ায় হিমশিম খাচ্ছে চাকরিজীবীরাও রাফা-গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬০ এমপি আনারকে আগেও দুবার খুনের পরিকল্পনা হয়: ডিবি দুর্নীতি প্রশ্রয়দাতাদেরও বিচার করতে হবে : ১২ দলীয় জোট ‘বিদ্যুৎ-পানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন’ বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশে কিছু সাম্প্রদায়িক শক্তি তৎপর: কাদের

মারিউপোল থিয়েটারে বিমান হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল : অ্যামেনেস্টি

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : জুন ৩০, ২০২২
Russians behind 'war crime' bombing of Mariupol theatre: Amnesty

অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলেছে, অবরুদ্ধ ইউক্রেনীয় শহর মারিউপোলে বেসামরিক লোকদের আশ্রয়স্থলে রাশিয়া বিমান হামলা চালিয়ে যুদ্ধাপরাধ করেছে।
অ্যামেনেস্টির ইউক্রেন শাখার প্রধান ওকসানা পোকালচুক এএফপি’কে বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা একটি কথিত যুদ্ধাপরাধের কথা বলছিলাম। এখন আমরা স্পষ্টভাবে বলতে পারি যে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত এটি ছিল একটি যুদ্ধাপরা।’
‘এ গুলো ছিল বড় ধরনের বিষ্ফোরণ। দু’টি ৫শ’ কিলোগ্রামের (১,১০০ পাউন্ড) বোমা’ বিমান থেকে ফেলা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি রাশিয়ান দাবি খারিজ করে দেন। রাশিয়া বলেছে, নগরীতে ইউক্রেনীয় রক্ষকদের মাধ্যমে থিয়েটারটিতে হামলা চালানো হয়েছে।
তবে গ্রুপটি বলেছে, প্রাথমিকভাবে যে মৃতের সংখ্যা ধারণা করা হয়েছিল, প্রকৃতপক্ষে তা আরো কম হতে পারে।
অ্যামেনেস্টি গত ১৬ মার্চের বিমান হামলা সম্পর্কে প্রাণে বেঁচে যাওয়া কয়েক ডজন লোক এবং প্রত্যক্ষদর্শীর সাথে কথা বলেছে এবং হামলার দৃশ্যের ছবি, ভিডিও এবং স্যাটেলাইট ইমেজ ও ধ্বংস হওয়া থিয়েটারের নকশা ও নথি সংগ্রহ করেছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এই থিয়েটারটি বেসামরিক লোকদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়্। মার্চের শুরু থেকে হাজার হাজার লোক উদ্ধারের আশায় এখানে জড়ো হয়।
স্বেচ্ছাসেবকরা তাদের খাদ্য, পানি এবং কম্বলের মতো প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিতরণের পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা প্রদান করছিল।
পেকালচুক বলেন, ‘মারিউপোলে অনেকগুলো সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছিল। তারা স্পষ্টভাবে বেসামরিক লোকদের আশ্রয়স্থল বেছে নেয়।’ একটি ড্রোন এবং স্যাটেলাইট চিত্র থেকে রাশিয়ান কমান্ডারদের কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠতো।


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ