ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল সার্টিফিকেট দেয়ার সময় জানালেন মন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২ ৭৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, আগামী দু’মাসের মধ্যে সব বীর মুক্তিযোদ্ধার হাতে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও আইড কার্ড তুলে দেয়া হবে। রোববার (২৬ জুন) নিজ মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মোজাম্মেল হক বলেন, প্রথম পর্যায়ে গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নড়াইল এবং গাজীপুর জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের সার্টিফিকেট ও আইডি কার্ড দেয়া হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের সেসব দেয়া হবে।

তিনি বলেন, সারাদেশে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও আইডি কার্ড বিতরণ করতে দুই মাসের বেশি সময় লাগবে না। ইতোমধ্যে অর্ধেকের বেশি তৈরি হয়েছে। বাকি সার্টিফিকেট ও আইডিগুলো তৈরির কাজও দ্রুততম সময়ে শেষ করা যাবে।

মন্ত্রী বলেন, এই সার্টিফিকেট ও কার্ড উপজেলায় পাঠানো হবে। সেখান থেকেই সেগুলো বিতরণ করা হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে যারা জীবিত আছেন, তারা সার্টিফিকেট ও আইডি কার্ড দুটিই পাবেন। কিন্তু যেসব মুক্তিযোদ্ধা মারা গেছেন, তাদের জন্য শুধু ডিজিটাল সার্টিফিকেট দেয়া হবে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও আইডি কার্ড যাতে কেউ জাল করতে না পারে, সেজন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সার্টিফিকেটে ১৪ ধরনের এবং আইডি কার্ডে ১২ ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এসময় মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব রঞ্জিত কুমার দাসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল সার্টিফিকেট দেয়ার সময় জানালেন মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:১৭:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, আগামী দু’মাসের মধ্যে সব বীর মুক্তিযোদ্ধার হাতে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও আইড কার্ড তুলে দেয়া হবে। রোববার (২৬ জুন) নিজ মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মোজাম্মেল হক বলেন, প্রথম পর্যায়ে গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নড়াইল এবং গাজীপুর জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের সার্টিফিকেট ও আইডি কার্ড দেয়া হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের সেসব দেয়া হবে।

তিনি বলেন, সারাদেশে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও আইডি কার্ড বিতরণ করতে দুই মাসের বেশি সময় লাগবে না। ইতোমধ্যে অর্ধেকের বেশি তৈরি হয়েছে। বাকি সার্টিফিকেট ও আইডিগুলো তৈরির কাজও দ্রুততম সময়ে শেষ করা যাবে।

মন্ত্রী বলেন, এই সার্টিফিকেট ও কার্ড উপজেলায় পাঠানো হবে। সেখান থেকেই সেগুলো বিতরণ করা হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে যারা জীবিত আছেন, তারা সার্টিফিকেট ও আইডি কার্ড দুটিই পাবেন। কিন্তু যেসব মুক্তিযোদ্ধা মারা গেছেন, তাদের জন্য শুধু ডিজিটাল সার্টিফিকেট দেয়া হবে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও আইডি কার্ড যাতে কেউ জাল করতে না পারে, সেজন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সার্টিফিকেটে ১৪ ধরনের এবং আইডি কার্ডে ১২ ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এসময় মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব রঞ্জিত কুমার দাসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।