ঢাকা ০২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুহিত দেশের অভাবী মানুষের কথা ভাবতেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৯:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২২ ৯৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি জানান, মরহুম আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশকে প্রচণ্ড ভালোবাসতেন। দেশের স্বার্থ নিয়ে ও দেশের অভাবী মানুষের কথা ভাবতেন। উনি ছিলেন স্বমহিমায় মহিমান্বিত ও স্মরণীয় একজন অর্থনীতিবিদ। এককথায় বলতে গেলে স্মৃতিতে ধরে রাখবার মতো সফল অর্থমন্ত্রী ছিলেন। তার এই চলে যাওয়ায় দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। যার অভাব কোনও কিছুতেই পূরণীয় নয়।

আজ শনিবার (৩০ এপ্রিল) এক শোকবার্তায় এসব কথা বলেন জাহিদ মালেক। এতে মরহুমের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন এবং মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন তিনি।

গতকাল শুক্রবার রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মুহিতের। তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে মাস্টার্স করেন মুহিত। এরপর অক্সফোর্ড ও হার্ভার্ডে উচ্চশিক্ষা নেন। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। পরে পাকিস্তান ও স্বাধীন বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মুহিত। মোট ১১বার ও টানা ৯বার দেশের বাজেট ঘোষণার রেকর্ড রয়েছে তার। ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তান দূতাবাসে কর্মরত থাকাকালে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন তিনি। পরবর্তীতে প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে জনমত গঠন করেন। এ কারণে তাকে ২০১৬ সালে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পদক’ দেয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

মুহিত দেশের অভাবী মানুষের কথা ভাবতেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:০৯:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২২

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি জানান, মরহুম আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশকে প্রচণ্ড ভালোবাসতেন। দেশের স্বার্থ নিয়ে ও দেশের অভাবী মানুষের কথা ভাবতেন। উনি ছিলেন স্বমহিমায় মহিমান্বিত ও স্মরণীয় একজন অর্থনীতিবিদ। এককথায় বলতে গেলে স্মৃতিতে ধরে রাখবার মতো সফল অর্থমন্ত্রী ছিলেন। তার এই চলে যাওয়ায় দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। যার অভাব কোনও কিছুতেই পূরণীয় নয়।

আজ শনিবার (৩০ এপ্রিল) এক শোকবার্তায় এসব কথা বলেন জাহিদ মালেক। এতে মরহুমের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন এবং মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন তিনি।

গতকাল শুক্রবার রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মুহিতের। তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে মাস্টার্স করেন মুহিত। এরপর অক্সফোর্ড ও হার্ভার্ডে উচ্চশিক্ষা নেন। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। পরে পাকিস্তান ও স্বাধীন বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মুহিত। মোট ১১বার ও টানা ৯বার দেশের বাজেট ঘোষণার রেকর্ড রয়েছে তার। ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তান দূতাবাসে কর্মরত থাকাকালে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন তিনি। পরবর্তীতে প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে জনমত গঠন করেন। এ কারণে তাকে ২০১৬ সালে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পদক’ দেয়া হয়।