ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে পালিত হল রাশিয়ার ৭৭তম ভিক্টরি ডে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মে ২০২২ ৪৬ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীতে রাশিয়ার ৭৭তম ভিক্টরি ডে পালিত হয়েছে। শনিবার (২১ মে) ধানমন্ডির রাশিয়ান হাউজে এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রামের সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের যুদ্ধ ও সংগ্রামের অনেক মিল রয়েছে।

তাঁরা বলেন, বাংলাদেশ যেমন দখলদার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল তখনকার সোভিয়েত ইউনিয়নও দখলদার জার্মানীর বিরুদ্ধে জনগণের মুক্তির জন্য লড়াই চালিয়েছিল এবং লাখ লাখ নিরাপরাধ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে রাশিয়া তথা তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সহায়তা এদেশের মানুষ এখনও কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করে বলে উল্লেখ করেন তারা।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধোত্তর পরিবর্তী বিশ্ব ব্যবস্থায় ছোট বড় সব দেশের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে রাশিয়া নেতৃত্বের ভুমিকা রাখবে বলে আশা ব্যক্ত করেন আলোচকরা। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব মোকাবেলায় এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে রাশিয়া পাশে থাকবে বলেও আশা করেন আলোচকরা।

শেষে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রাণ হারানো রাশিয়ান যোদ্ধাদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউজের প্রধান ম্যাক্সিম দোব্রখোতভ। লিবারেশন ওয়ার একাডেমি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ ভুঁঈয়া, বাংলাভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি ইমরুল কায়েসসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, ১৯৪৫ সালের ৮ মে রুশরা দখলদার জার্মানীর নাৎসি বাহিনীকে পরাজিত করে। তখন থেকেই দিনটি ভিক্টরি ডে হিসেবে পালন করে রাশিয়ানরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজধানীতে পালিত হল রাশিয়ার ৭৭তম ভিক্টরি ডে

আপডেট সময় : ০৯:১০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মে ২০২২

রাজধানীতে রাশিয়ার ৭৭তম ভিক্টরি ডে পালিত হয়েছে। শনিবার (২১ মে) ধানমন্ডির রাশিয়ান হাউজে এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রামের সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের যুদ্ধ ও সংগ্রামের অনেক মিল রয়েছে।

তাঁরা বলেন, বাংলাদেশ যেমন দখলদার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল তখনকার সোভিয়েত ইউনিয়নও দখলদার জার্মানীর বিরুদ্ধে জনগণের মুক্তির জন্য লড়াই চালিয়েছিল এবং লাখ লাখ নিরাপরাধ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে রাশিয়া তথা তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সহায়তা এদেশের মানুষ এখনও কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করে বলে উল্লেখ করেন তারা।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধোত্তর পরিবর্তী বিশ্ব ব্যবস্থায় ছোট বড় সব দেশের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে রাশিয়া নেতৃত্বের ভুমিকা রাখবে বলে আশা ব্যক্ত করেন আলোচকরা। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব মোকাবেলায় এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে রাশিয়া পাশে থাকবে বলেও আশা করেন আলোচকরা।

শেষে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রাণ হারানো রাশিয়ান যোদ্ধাদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউজের প্রধান ম্যাক্সিম দোব্রখোতভ। লিবারেশন ওয়ার একাডেমি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ ভুঁঈয়া, বাংলাভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি ইমরুল কায়েসসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, ১৯৪৫ সালের ৮ মে রুশরা দখলদার জার্মানীর নাৎসি বাহিনীকে পরাজিত করে। তখন থেকেই দিনটি ভিক্টরি ডে হিসেবে পালন করে রাশিয়ানরা।