শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রোববার যে সময়ে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ গ্রুপ ‘সি’: চমকে দিতে চায় উগান্ডা-পাপুয়া নিউগিনি এফএ কাপের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ডার্বি উপকূলীয় এলাকায় লঞ্চ চলাচল বন্ধের নির্দেশ আনারের মাংসের ‘কিমা’ বানিয়ে কমোডে ফ্ল্যাশ করে খুনীরা আনারের মরদেহের পাশে বসেই খাবার খান হত্যাকারীরা বিশ্বজুড়ে গড় আয়ু কমেছে প্রায় ২ বছর : ডব্লিউএইচও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আসছে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত টাকা পাচারের অভিযোগ দেরিতে আসায় ব্যবস্থা নিতে বেগ পেতে হচ্ছে: দুদক পাকিস্তানে মূল্যস্ফীতি বাড়ায় হিমশিম খাচ্ছে চাকরিজীবীরাও রাফা-গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬০ এমপি আনারকে আগেও দুবার খুনের পরিকল্পনা হয়: ডিবি দুর্নীতি প্রশ্রয়দাতাদেরও বিচার করতে হবে : ১২ দলীয় জোট ‘বিদ্যুৎ-পানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন’

রাশিয়ার গম রপ্তানি বাড়ছে: রয়টার্সের জরিপ

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : জুন ২৯, ২০২২
রাশিয়ার গম রপ্তানি বাড়ছে: রয়টার্সের জরিপ

চলতি ২০২২/২৩ অর্থবছরে ২৫ শতাংশ গম রপ্তানি বাড়বে রাশিয়ার। এসময়ে রপ্তানির জন্য রেকর্ড ৪১ মিলিয়ন টন খাদ্যশস্যটি হাতে থাকবে দেশটির। গতকাল মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক জরিপে এমনটি দেখা গেছে।

৯ জন বিশ্লেষক, কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের জরিপ থেকে মধ্যম অনুমান অনুসারে, ২০২২ সালে রাশিয়ার গম রপ্তানি বাড়বে ১৪ শতাংশ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, কতগুলো বিষয়ের ওপর নির্ভর করে রপ্তানির এ আকার নির্ধারিত হবে। যেমন-ইউক্রেনে হামলা চালানোয় মস্কোর ওপর পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা, শক্তিশালী রুবল, রপ্তানি কর, পরিবহন ও বীমা খরচ বৃদ্ধির প্রভাব ইত্যাদি।

বিজনেস রেকর্ডারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অনুমিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে আলোচিত সময়ে বিশ্বের শীর্ষ গম রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হবে রাশিয়া। প্রধানত মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে খাদ্যপণ্যটি রপ্তানি করে তারা।

২০২০/২১ অর্থবছরে রেকর্ড ৩৯ মিলিয়ন টন গম রপ্তানি করে দেশটি। অবশ্য ২০২২/২৩ অর্থবছরে রপ্তানি চালানের সঠিক পরিমাণ এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

বিশ্ববাজারে গুঞ্জন এড়াতে গত এপ্রিলে আমদানি-রপ্তানি তথ্য প্রকাশ স্থগিত করেছে রাশিয়ার শুল্ক বিভাগ।

রুশ খাদ্যশস্য রপ্তানি ইউনিয়নের প্রধান ইদুয়ার্দ জের্নিন রয়টার্সকে বলেন, প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নিষেধাজ্ঞা। যদিও খাদ্যশস্য আমদানি –রপ্তানি এর আওতামুক্ত রয়েছে। তবু বিভিন্ন দেশের প্রয়োজনের সময় তা সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, রপ্তানি অর্থ পরিশোধ, নির্দিষ্ট তারিখ জানতে না পারা, বাণিজ্যে অর্থায়ন এবং বীমা সংক্রান্ত সমস্যায় পড়তে হতে পারে ক্রেতাদের।


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ