ঢাকা ১১:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে ইরান : রাষ্ট্রদূত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর ২০২২ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের রাষ্ট্রদূত মনসুর চাভোশি বলেছেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে ইরান বাংলাদেশকে সমর্থন করবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আজ সকালে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ইরানের রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

রাষ্ট্রদূত মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়েও আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বহুমুখীকরণে উভয় দেশেরই অনেক বেশি সম্ভাবনা রয়েছে। ‘দুই পক্ষ বাণিজ্য সহজীকরণ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করতে পারে,’ তিনি যোগ করেন।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর পরিণতি সারা বিশ্বের মানুষ ভোগ করছে।
ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, অনেক ফারসি শব্দ, যার সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার, বাংলা ভাষায় সংযোজিত হয়েছে।

উভয়েই বলেন, বাংলাদেশ ও ইরান অভিন্ন সংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ। এ সময় অ্যাম্বাসেডর এ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে ইরান : রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর ২০২২

ইরানের রাষ্ট্রদূত মনসুর চাভোশি বলেছেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে ইরান বাংলাদেশকে সমর্থন করবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আজ সকালে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ইরানের রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

রাষ্ট্রদূত মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়েও আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বহুমুখীকরণে উভয় দেশেরই অনেক বেশি সম্ভাবনা রয়েছে। ‘দুই পক্ষ বাণিজ্য সহজীকরণ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করতে পারে,’ তিনি যোগ করেন।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর পরিণতি সারা বিশ্বের মানুষ ভোগ করছে।
ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, অনেক ফারসি শব্দ, যার সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার, বাংলা ভাষায় সংযোজিত হয়েছে।

উভয়েই বলেন, বাংলাদেশ ও ইরান অভিন্ন সংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ। এ সময় অ্যাম্বাসেডর এ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন।