ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ বাড়ছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২ ৪৯ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে অপরাধীদের বিচরণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ক্যাম্পগুলোতে একের পর এক মাঝি নামে পরিচিত সর্দারদের খুনের ঘটনায় অস্থির হয়ে উঠছে পরিবেশ পরিস্থিতি। হত্যার ঘটনায় মামলা হলে এতে টার্গেট করে হত্যা করা হচ্ছে মামলার সাক্ষীদের। প্রত্যাবাসন না হওয়ায় ইতোমধ্যে গড়ে উঠেছে বহু রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী সংগঠন। ক্যাম্পে মাদকব্যবসা ও আরসাসহ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এসব ঘটছে বলে দাবি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ-এই দুই উপজেলায় ৩৪টি ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের মধ্যে গত ৫ বছরে গড়ে উঠেছে আরসাসহ একের পর এক বহু রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী সংগঠন। গত ৬ মাসে শুধু উখিয়ার ৫টি ক্যাম্পে ১৮জন মাঝি খুন হয়েছেন। এর বেশির ভাগ পালংখালী ইউনিয়নের থাইন খালীর ঘোনার পাড়ার রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের পাশে ১৯ নম্বর ক্যাম্পে। এসব ঘটনায় মামলা হলে এর সাক্ষীরা অপরাধীদের টার্গেটে পড়ে যায়। সাক্ষীর বাড়িতে হানা দিয়ে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা নারীর শ্লীলতাহানিসহ লুটপাট ও ছেলেমেয়েদের ধরে নিয়ে নির্যাতন চালায় বলে জানান ভুক্তভোগী রোহিঙ্গারা।

এ প্রসঙ্গে উখিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য নুর মোহাম্মদ সিকদার বলেন, ‘রোহিঙ্গারা এখন নিজেদের মধ্যে দাঙ্গা হাঙ্গামায় জড়িয়ে পড়ে স্থানীয়দের ওপরও হামলা করছে।’

৮-এপিবিএন উখিয়া-কক্সবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ জানান ক্যাম্পের অভ্যন্তরে মাদক ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তারসহ মাঝি খুনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে বলে জানায় এপিবিএন।

নিউজটি শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ বাড়ছে

আপডেট সময় : ১২:১৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে অপরাধীদের বিচরণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ক্যাম্পগুলোতে একের পর এক মাঝি নামে পরিচিত সর্দারদের খুনের ঘটনায় অস্থির হয়ে উঠছে পরিবেশ পরিস্থিতি। হত্যার ঘটনায় মামলা হলে এতে টার্গেট করে হত্যা করা হচ্ছে মামলার সাক্ষীদের। প্রত্যাবাসন না হওয়ায় ইতোমধ্যে গড়ে উঠেছে বহু রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী সংগঠন। ক্যাম্পে মাদকব্যবসা ও আরসাসহ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এসব ঘটছে বলে দাবি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ-এই দুই উপজেলায় ৩৪টি ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের মধ্যে গত ৫ বছরে গড়ে উঠেছে আরসাসহ একের পর এক বহু রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী সংগঠন। গত ৬ মাসে শুধু উখিয়ার ৫টি ক্যাম্পে ১৮জন মাঝি খুন হয়েছেন। এর বেশির ভাগ পালংখালী ইউনিয়নের থাইন খালীর ঘোনার পাড়ার রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের পাশে ১৯ নম্বর ক্যাম্পে। এসব ঘটনায় মামলা হলে এর সাক্ষীরা অপরাধীদের টার্গেটে পড়ে যায়। সাক্ষীর বাড়িতে হানা দিয়ে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা নারীর শ্লীলতাহানিসহ লুটপাট ও ছেলেমেয়েদের ধরে নিয়ে নির্যাতন চালায় বলে জানান ভুক্তভোগী রোহিঙ্গারা।

এ প্রসঙ্গে উখিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য নুর মোহাম্মদ সিকদার বলেন, ‘রোহিঙ্গারা এখন নিজেদের মধ্যে দাঙ্গা হাঙ্গামায় জড়িয়ে পড়ে স্থানীয়দের ওপরও হামলা করছে।’

৮-এপিবিএন উখিয়া-কক্সবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ জানান ক্যাম্পের অভ্যন্তরে মাদক ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তারসহ মাঝি খুনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে বলে জানায় এপিবিএন।