ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

র‍্যাব ও ডিজিএফআই-এর বিলুপ্তি চাইলেন সাবেক সেনাপ্রধান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

র‌্যাব ও ডিজিএফআই বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। আজ (সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের একটি মামলায় দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে দেয়া জবানবন্দিতে তিনি এ দাবি করেন।

সাক্ষ্যে ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, ‘র‌্যাব বিলুপ্ত করতে চেয়েও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে তা সম্ভব হয়নি।’ একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, আয়নাঘরের মতো অপসংস্কৃতির জন্ম দেয়ার পর ডিজিএফআই টিকে থাকার নৈতিক ও সাংবিধানিক বৈধতা হারিয়েছে।

দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষের জেরার জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

সাক্ষ্য শেষে গণমাধ্যমকে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিচারের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর আত্মশুদ্ধি হবে, বাহিনীর ওপর থাকা কলঙ্ক মুছে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডিজিএফআই ও র‌্যাবের কর্মকাণ্ডের দায় সরাসরি সেনাপ্রধানের ওপর বর্তায় না এবং সেনাবাহিনী থেকেও এসব সংস্থাকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হয় না।’

চিফ প্রসিকিউটর জানান, সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ডিসেম্বর এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর তিনটি অভিযোগ আমলে নেয়ার আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল-১ অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচার শুরুর জন্য গত ১৪ জানুয়ারি ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

র‍্যাব ও ডিজিএফআই-এর বিলুপ্তি চাইলেন সাবেক সেনাপ্রধান

আপডেট সময় : ০৩:৫২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

র‌্যাব ও ডিজিএফআই বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। আজ (সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের একটি মামলায় দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে দেয়া জবানবন্দিতে তিনি এ দাবি করেন।

সাক্ষ্যে ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, ‘র‌্যাব বিলুপ্ত করতে চেয়েও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে তা সম্ভব হয়নি।’ একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, আয়নাঘরের মতো অপসংস্কৃতির জন্ম দেয়ার পর ডিজিএফআই টিকে থাকার নৈতিক ও সাংবিধানিক বৈধতা হারিয়েছে।

দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষের জেরার জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

সাক্ষ্য শেষে গণমাধ্যমকে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিচারের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর আত্মশুদ্ধি হবে, বাহিনীর ওপর থাকা কলঙ্ক মুছে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডিজিএফআই ও র‌্যাবের কর্মকাণ্ডের দায় সরাসরি সেনাপ্রধানের ওপর বর্তায় না এবং সেনাবাহিনী থেকেও এসব সংস্থাকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হয় না।’

চিফ প্রসিকিউটর জানান, সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ডিসেম্বর এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর তিনটি অভিযোগ আমলে নেয়ার আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল-১ অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচার শুরুর জন্য গত ১৪ জানুয়ারি ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।