ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে ধানে পোকার আক্রমণ

লালমনিরহাট সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২ ৩০ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লালমনিরহাটে আমন ধানের ক্ষেতে দেখা দিয়েছে পোকার আক্রমণ। কিটনাশক দিয়েও সুফল পাচ্ছেন না চাষিরা। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। আমনের ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ। এই সমস্যা সমাধানে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

চলতি মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় আমন ধান আবাদ করতে বিপাকে পড়েন লালমনিরহাটের চাষিরা। জমিতে বাড়তি সেচ দিয়ে চাষাবাদ করতে হয় তাদের। তেল ও সারের দাম বাড়ায় কৃষকদের বেশি খরচও গুণতে হয়েছে। প্রতিকূল সেই অবস্থা কাটিয়ে উঠলেও এখন বিভিন্ন পোকার আক্রমণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ধান।

ফলে আমনের কাঙ্খিত ফলন না পাবার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। কিটনাশক প্রয়োগ করেও কোন সুফল পাচ্ছেন না তারা। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে চাষিদের নানা পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

চলতি মৌসুমে লালমনিরহাটে ৮৬ হাজার ৫৮৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। যেখানে ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার ১৬৭ মেট্রিক টন।

নিউজটি শেয়ার করুন

লালমনিরহাটে ধানে পোকার আক্রমণ

আপডেট সময় : ১২:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২

লালমনিরহাটে আমন ধানের ক্ষেতে দেখা দিয়েছে পোকার আক্রমণ। কিটনাশক দিয়েও সুফল পাচ্ছেন না চাষিরা। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। আমনের ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ। এই সমস্যা সমাধানে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

চলতি মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় আমন ধান আবাদ করতে বিপাকে পড়েন লালমনিরহাটের চাষিরা। জমিতে বাড়তি সেচ দিয়ে চাষাবাদ করতে হয় তাদের। তেল ও সারের দাম বাড়ায় কৃষকদের বেশি খরচও গুণতে হয়েছে। প্রতিকূল সেই অবস্থা কাটিয়ে উঠলেও এখন বিভিন্ন পোকার আক্রমণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ধান।

ফলে আমনের কাঙ্খিত ফলন না পাবার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। কিটনাশক প্রয়োগ করেও কোন সুফল পাচ্ছেন না তারা। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে চাষিদের নানা পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

চলতি মৌসুমে লালমনিরহাটে ৮৬ হাজার ৫৮৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। যেখানে ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার ১৬৭ মেট্রিক টন।