শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিসেম্বরেও উৎপাদনে যাচ্ছে না পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে দিল্লি, মুম্বাইসহ বেশ কিছু রাজ্য গাজার মানবিক অঞ্চলে বিমান হামলা, নিহত ৭১ গাজার ৭০ হাজারের বেশি মানুষ হেপাটাইটিসে আক্রান্ত নেপালে ১৬ বছরে ১৪ বার সরকার বদল? যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ আয়োজন করে কোটি টাকা খুইয়েছে আইসিসি ‘পদক নয়, নিজেদের উন্নতি করতে অলিম্পিকে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কার : শিক্ষার্থীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে: ওবায়দুল কাদের দেশে বদলে যাচ্ছে বন্যার ধরন গণতন্ত্রের জন্যও শিক্ষার্থীদের লড়াই করার আহ্বান আমির খসরুর সরকার পতনের আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: মান্না কোটা সংস্কারের নামে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত স্বাধীনতাবিরোধীরা: আইনমন্ত্রী বাজারে সব পণ্যেই হাকিয়েছে সেঞ্চুরি

লিবিয়ার রাজধানীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ২৩

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : আগস্ট ২৮, ২০২২
Libya clashes kill 23, spark fears of new war

উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে রাজনৈতিক বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটেছে। শনিবার (২৭ আগস্ট) দেশটিতে এই প্রাণঘাতী সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ২৩ জন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

এই ঘটনায় রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে শত্রুতা অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। রবিবার (২৮ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

দেশটির দীর্ঘদিনের শাসক কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত হন ২০১১ সালে। সামরিক জোট ন্যাটো-সমর্থিত বিদ্রোহের এ ঘটনার পর থেকে লিবিয়ায় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। সেই থেকে দেশটিতে অস্থিতিশীলতা চলছে। তবে গত দুই বছরে তুলনামূলকভাবে শান্ত সময় পার করেছে লিবিয়া।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ত্রিপোলির বিভিন্ন এলাকায় ছোট অস্ত্রের মাধ্যমে গুলিবর্ষণ ও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। শহরজুড়ে কালো ধোঁয়া উঠতেও দেখা যায়।

লিবিয়ার জরুরি পরিষেবাগুলো জানিয়েছে, সংঘর্ষের পর আশপাশের এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের লিবিয়া মিশন বলেছে, ‘দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে যুদ্ধে ‘বেসামরিক জনবহুল আবাসিক এলাকায় নির্বিচারে মাঝারি এবং ভারী গোলাবর্ষণ’ করা হয়েছে। একইসঙ্গে অবিলম্বে সংঘর্ষ বন্ধ করার আহ্বানও জানিয়েছে সংস্থাটি।’

বিবিসি বলছে, তেল-সমৃদ্ধ এই দেশটির জীবনযাত্রার মান একসময় ছিল আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। সেসময় এই দেশটিতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা এবং বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগও ছিল।

২০১১ সালের পর থেকে কার্যত নষ্ট হয়ে গেছে লিবিয়ার স্থিতিশীলতা। ওই বছরের পর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী বাহিনীগুলোর মধ্যে ঘন ঘন লড়াইয়ের সাক্ষী হয়েছে ত্রিপোলি।


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ