শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ন্যায়বিচার পাওয়া সাংবিধানিক অধিকার : প্রধান বিচারপতি রাশিয়া ও ইরান একক ব্রিকস মুদ্রা তৈরির কাজ করছে: ইরান নারী স্পিকারদের সম্মেলন বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর অনবদ্য প্লাটফর্ম: স্পিকার নরসিংদীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মা-ছেলেসহ ৪ জনের শেয়ারবাজার ছাড়লেন আরও ২১৮৮ বিনিয়োগকারী জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে কেউ যেন বৈষম্যের শিকার না হন : রাষ্ট্রপতি ফের শাহরুখ খানের দলে সাকিব বিএনপি ভোট বর্জন করে গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে: দুদু সরকারের ধারাবাহিকতার কারণে এতো উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে : কাদের সাতক্ষীরায় ট্রাক উল্টে নিহত দুই টেক্সাসের হাস্টনে শক্তিশালী হারিকেনের আঘাত অর্থপাচার করলে কোন ছাড় নেই: ওবায়দুল কাদের প্রাথমিকে ২৯ শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষক গাজায় দীর্ঘমেয়াদে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হামাস বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়া বন্ধ করছে মালয়েশিয়া

সমুদ্রপৃষ্ঠে তাপমাত্রা বাড়ায় ঝুঁকির মুখে সামুদ্রিক প্রাণী

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : আগস্ট ৫, ২০২৩
সমুদ্রপৃষ্ঠে তাপমাত্রা বাড়ায় ঝুঁকির মুখে সামুদ্রিক প্রাণী

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈশ্বিক জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষায় সমুদ্রের ভূমিকা অপরিহার্য। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মোট অক্সিজেনের অর্ধেকই আসে এখান থেকে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সমুদ্রপৃষ্ঠে তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় ঝুঁকির মুখে পড়েছে সামুদ্রিক প্রাণীর বাস্তুসংস্থান।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফোরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তথ্যমতে, বর্তমানে সমুদ্রতলের গড় তাপমাত্রা ২০ দশমিক ৯৬, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি বেশি। বাড়তে থাকা এই তাপমাত্রা সামুদ্রিক মাছ সহ অন্যান্য প্রাণীর প্রজননের ক্ষেত্রে হতে পারে বড় হুমকি। যুক্তরাজ্যের সমুদ্র গবেষণা কেন্দ্র বলছে, মানবসৃষ্ট দূষণ ও অতিরিক্ত মাছ শিকারের ফলে সমুদ্রের খাদ্যচক্র পড়েছে বিপর্যয়ের মুখে।

গত কয়েক বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার আটলান্টিক উপকূলে পানির তাপ বৃদ্ধির কারণে ধ্বংস হচ্ছে প্রবাল প্রাচীর।

ইয়েল ক্লাইমেট কানেকশনসের আবহাওয়াবিদ জেফ মাস্টার্স বলেন, বর্তমানে ফ্লোরিডার কিছু এলাকায় সমুদ্রের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০১ দশমিক ১ ডিগ্রি ফারেনহাইট। এবার যে তাপমাত্রা দেখছি তা অকল্পনীয়। এভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠ উত্তপ্ত থাকায় অন্য প্রাণীর পাশাপাশি ক্ষতি হচ্ছে প্রবাল প্রাচীরের।

সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, বনাঞ্চল ধ্বংস করা, অতিরিক্ত মাছি শিকারকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন পরিবেশবিদরা। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে সাগর, মহাসাগর ও উপসাগরগুলোর তাপ ও গ্রিনহাউজ গ্যাস শোষণের ক্ষমতা কমবে।

যা মেরু ও শীতপ্রধান অঞ্চলগুলোর হিমবাহ ও জমাট বরফের স্তর দ্রুত গলিয়ে ফেলবে। এর প্রভাবে বাড়বে সমুদ্র পৃষ্ঠার উচ্চতা ও পানির নিচে তলিয়ে যাবে বহু অঞ্চল বলছেন বিশেষজ্ঞরা।


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ