ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারি গুদামে আমন সরবরাহ না করা চালকলের লাইসেন্স বাতিল হচ্ছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল ২০২২ ১১৯ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: চলতি মৌসুমে (২০২১-২০২২) অভ্যন্তরীণ উৎপাদন থেকে আমন ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে চুক্তি অনুযায়ী চাল সরবরাহে ব্যর্থ চালকল মালিকদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে খাদ্য অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

একইসঙ্গে আমন সংগ্রহ মৌসুমে চুক্তিযোগ্য থাকার পরও সরকারের সঙ্গে চাল সরবরাহের চুক্তি না করার চালকলগুলোর লাইসেন্সও যথাযথ প্রক্রিয়ায অনুসরণ করে বাতিল করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

সম্প্রতি খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ নির্দেশনা দিয়ে একটি চিঠি খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, আমন সংগ্রহ মৌসুমে চুক্তিযোগ্য ছিল, কিন্তু চুক্তি করেননি এমন চালকলের যথাযথ প্রক্রিয়ায় লাইসেন্স বাতিল করতে হবে।

অন্যদিকে, চুক্তি করার পরও কোনো চাল সরবরাহ করেনি এমন চালকলের জামানত বাজেয়াপ্তসহ যথাযথ প্রক্রিয়ায় লাইসেন্স বাতিল করতে বলেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

চুক্তির পরিমাণের ৮০ শতাংশ কিংবা এর বেশি পরিমাণ চাল সরবরাহকারী চালকলের বিশেষ বিবেচনায় জামানত অবমুক্ত করতে বলা হয়েছে।

তবে চুক্তির ৮০ শতাংশের কম সরবরাহকারী চালকলের বিশেষ বিবেচনায় অসরবরাহকৃত চালের আনুপাতিক হারে জামানত বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশনা দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে চালকলের নাম ও ঠিকানা, পাক্ষিক ছাঁটাইক্ষমতা, লাইসেন্স নম্বর ও তারিখ ৭ এপ্রিলের মধ্যে পাঠানোর জন্য আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের নির্দেশনা দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

চলতি আমন মৌসুমে সরকার তিন লাখ টন ধান ও সাত লাখ ২০ হাজার টন চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। গত বছরের ৭ নভেম্বর সংগ্রহ শুরু হয়ে চলে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সংগ্রহ মূল্য ছিল প্রতি কেজি ধান ২৭ টাকা ও সিদ্ধ চাল ৪০ টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সরকারি গুদামে আমন সরবরাহ না করা চালকলের লাইসেন্স বাতিল হচ্ছে

আপডেট সময় : ০৫:১৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল ২০২২

বৃত্তান্ত প্রতিবেদক: চলতি মৌসুমে (২০২১-২০২২) অভ্যন্তরীণ উৎপাদন থেকে আমন ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে চুক্তি অনুযায়ী চাল সরবরাহে ব্যর্থ চালকল মালিকদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে খাদ্য অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

একইসঙ্গে আমন সংগ্রহ মৌসুমে চুক্তিযোগ্য থাকার পরও সরকারের সঙ্গে চাল সরবরাহের চুক্তি না করার চালকলগুলোর লাইসেন্সও যথাযথ প্রক্রিয়ায অনুসরণ করে বাতিল করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

সম্প্রতি খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ নির্দেশনা দিয়ে একটি চিঠি খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, আমন সংগ্রহ মৌসুমে চুক্তিযোগ্য ছিল, কিন্তু চুক্তি করেননি এমন চালকলের যথাযথ প্রক্রিয়ায় লাইসেন্স বাতিল করতে হবে।

অন্যদিকে, চুক্তি করার পরও কোনো চাল সরবরাহ করেনি এমন চালকলের জামানত বাজেয়াপ্তসহ যথাযথ প্রক্রিয়ায় লাইসেন্স বাতিল করতে বলেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

চুক্তির পরিমাণের ৮০ শতাংশ কিংবা এর বেশি পরিমাণ চাল সরবরাহকারী চালকলের বিশেষ বিবেচনায় জামানত অবমুক্ত করতে বলা হয়েছে।

তবে চুক্তির ৮০ শতাংশের কম সরবরাহকারী চালকলের বিশেষ বিবেচনায় অসরবরাহকৃত চালের আনুপাতিক হারে জামানত বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশনা দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে চালকলের নাম ও ঠিকানা, পাক্ষিক ছাঁটাইক্ষমতা, লাইসেন্স নম্বর ও তারিখ ৭ এপ্রিলের মধ্যে পাঠানোর জন্য আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের নির্দেশনা দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

চলতি আমন মৌসুমে সরকার তিন লাখ টন ধান ও সাত লাখ ২০ হাজার টন চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। গত বছরের ৭ নভেম্বর সংগ্রহ শুরু হয়ে চলে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সংগ্রহ মূল্য ছিল প্রতি কেজি ধান ২৭ টাকা ও সিদ্ধ চাল ৪০ টাকা।