রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ই-কমার্সের প্রতারণার শিকারদের আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ আইনজ্ঞদের তিন-চারদিনে আরটি পিসিআর ল্যাব স্থাপনসহ কার্যক্রম শুরু, বেবিচক চেয়ার‌ম্যানের আশ্বাস নৌদুর্ঘটনা তদন্ত, নকশা অনুমোদন, পরীক্ষার দায়িত্ব নৌ-অধিদপ্তর থেকে প্রত্যাহারের দাবি অনুমোদনের পরও স্থান-শর্তের জালে আটকা বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব স্থাপন কারিগরি শিক্ষা জনপ্রিয় করতে প্রচার কৌশল প্রনয়ণ ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণে দেশে শীঘ্রই ভ্যাকসিন নীতিমালা: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ইভ্যালির অফিস আবার বন্ধ কোভিড: বাংলাদেশিদের ইংল্যান্ডে যাওয়া সহজ হচ্ছে চীন থেকে এল সিনোফার্মের আরও ৫০ লাখ টিকা ‘সংঘবদ্ধ চক্রের আক্রমণের শিকার হচ্ছে নগদ’ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার নতুন ফাঁদ ‘রিং আইডি’! ইভ্যালির রাসেলের বাসা থেকে গোপনীয় দলিল জব্দ রাজধানীতে করোনা হাসপাতালের ৭৫ শতাংশ শয্যাই খালি অষ্টম ও নবম শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে দুই দিন ইভ্যালিকে দেউলিয়া ঘোষণা করতে চেয়েছিলেন রাসেল: র‍্যাব ১০ ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানের  নিরীক্ষা চায় বাংলাদেশ ব্যাংক দুদকের মামলায় আসামি কেয়া কসমেটিকস মালিক পরিবার আগামী বাণিজ্য মেলা পূর্বাচলে, শুরু ১ জানুয়ারি ৩ বারের বেশি ঋণ পুনঃতফসিল করতে পারবে না আর্থিক প্রতিষ্ঠান কুইক রেন্টাল’ বিদ্যুতকেন্দ্র আরও ৫ বছর রাখতে সংসদে বিল

সরবরাহকারীদের কাছে ইভ্যালির দায় ২০৬ কোটি টাকা, গ্রাহক পাবে ৩১১ কোটি

রিপোর্টারের নাম : / ১৮ জন দেখেছেন
আপডেট : রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন

বৃত্তান্ত প্রতিবেদন: গ্রাহকদের পর পণ্য সরবরাহকারীদের কাছে দেনার পরিমানও সরকারকে জানাল বিতর্কিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া বিবরণীতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তাদের কাছে পণ্য সরবরাহকারীরা প্রায় ২০৬ কোটি টাকা পাবেন। গত ২ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ হিসাব দিয়েছে ইভ্যালি।

এর আগে ২৬ আগস্ট দেওয়া হিসাবে ইভ্যালি জানায়, গ্রাহকেরা তাদের কাছে ৩১১ কোটি টাকা পাবেন। গ্রাহকের পাওনার সমপরিমাণ টাকা পণ্য কেনার জন্য অগ্রিম মূল্য বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে।

ইভ্যালির হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ জুলাই পর্যন্ত মার্চেন্টদের কাছে তাদের দেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০৫ কোটি ৮৬ লাখ ৮৪ হাজার ৩৮৩ টাকা। মূলত এসব মার্চেন্টের কাছ থেকে পণ্য কিনে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করে ইভ্যালি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হিসাবে বলা হয়, যেকোনো ব্যবসায়ে ক্রেডিট সুবিধা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং তা যুগ যুগ ধরে প্রতিটি ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান। ইভ্যালির সঙ্গে সব সরবরাহকারীর ক্রেডিট–সংক্রান্ত চুক্তি বিদ্যমান আছে। তাই যে অর্থ বর্তমানে দেনা হিসেবে আছে, তা অতি স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য পরিমাণ।

এর আগে ১৩ আগস্ট ইভ্যালিকে চিঠি দিয়ে ১৫ জুলাই পর্যন্ত কোম্পানির সম্পদ ও দায়ের বিবরণ, গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছে দেনার বিবরণ জানতে চায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু ইভ্যালি সময় চায়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি। শেষ পর্যন্ত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেওয়া সময় মেনে হিসাব দিতে বাধ্য হয় ইভ্যালি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ