ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সামরিক ব্যয় বাড়াতে ন্যাটো মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানাবেন জনসন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৬:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২ ৬০ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সামরিক ব্যয় বাড়াতে ন্যাটো মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানাবেন।
ইউক্রেনে রুশ হামলার প্রেক্ষিতে মাদ্রিদে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে মিত্রদের প্রতি তিনি এ আহ্বান জানাবেন বলে মঙ্গলবার তার কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে।
রাশিয়া ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলে নেয়ার পর ন্যাটোভুক্ত রাষ্ট্রগুলো তাদের মোট অভ্যন্তরনীণ উৎপাদনের অন্তত দুই শতাংশ ব্যয়ের অঙ্গীকার করেছিল।
কিন্তু ২০২১ সালে ৩০ সদস্য বিশিষ্ট ন্যাটোর কেবলমাত্র আট সদস্য এ লক্ষ্য পূরণে সক্ষম হয়েছে।
মাদ্রিদে যাওয়ার প্রাক্কালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের পর প্রতিরক্ষা বিনিয়োগে নতুন লক্ষের বিষয়ে ন্যাটোতে আলোচনা প্রয়োজন।
ব্রিটিশ সরকারেরএক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ন্যাটোকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের মাধ্যমে নতুন ও বর্ধিত হুমকি মোকাবেলা করতে হবে। একইসঙ্গে সংকট ও জরুরি প্রয়োজন মোকাবেলায় প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে হবে।
এ ছাড়া ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে জনসন রুশ সীমান্তবর্তী এস্তোনিয়ায় সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর ঘোষণা দেবেন।
উল্লেখ্য, ইউক্রেনে রুশ হামলার পর ব্রিটেন কিয়েভকে একশ’ ৩০ কোটি মার্কিন ডলার সমপরিমাণ সামরিক সহায়তা দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সামরিক ব্যয় বাড়াতে ন্যাটো মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানাবেন জনসন

আপডেট সময় : ০৩:১৬:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সামরিক ব্যয় বাড়াতে ন্যাটো মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানাবেন।
ইউক্রেনে রুশ হামলার প্রেক্ষিতে মাদ্রিদে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে মিত্রদের প্রতি তিনি এ আহ্বান জানাবেন বলে মঙ্গলবার তার কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে।
রাশিয়া ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলে নেয়ার পর ন্যাটোভুক্ত রাষ্ট্রগুলো তাদের মোট অভ্যন্তরনীণ উৎপাদনের অন্তত দুই শতাংশ ব্যয়ের অঙ্গীকার করেছিল।
কিন্তু ২০২১ সালে ৩০ সদস্য বিশিষ্ট ন্যাটোর কেবলমাত্র আট সদস্য এ লক্ষ্য পূরণে সক্ষম হয়েছে।
মাদ্রিদে যাওয়ার প্রাক্কালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের পর প্রতিরক্ষা বিনিয়োগে নতুন লক্ষের বিষয়ে ন্যাটোতে আলোচনা প্রয়োজন।
ব্রিটিশ সরকারেরএক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ন্যাটোকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের মাধ্যমে নতুন ও বর্ধিত হুমকি মোকাবেলা করতে হবে। একইসঙ্গে সংকট ও জরুরি প্রয়োজন মোকাবেলায় প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে হবে।
এ ছাড়া ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে জনসন রুশ সীমান্তবর্তী এস্তোনিয়ায় সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর ঘোষণা দেবেন।
উল্লেখ্য, ইউক্রেনে রুশ হামলার পর ব্রিটেন কিয়েভকে একশ’ ৩০ কোটি মার্কিন ডলার সমপরিমাণ সামরিক সহায়তা দিয়েছে।