ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বর্ণ খনি শ্রমিকদের লড়াইয়ে প্রাণ গেল ১০০ জনের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২ ৬১ বার পড়া হয়েছে

দুই ব্যক্তির লড়াইয়ের কারণে প্রাণ গেল ১০০ জনের

বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আফ্রিকার দেশে চাদের উত্তরাঞ্চলীয় প্রত্যন্ত এলাকা অনানুষ্ঠানিক স্বর্ণ খনি শ্রমিকদের মধ্যে লড়াইয়ে প্রায় ১০০ জন নিহত হয়েছেন। আর ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। খবর বিবিসির।

চাদের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাউদ ইয়ায়া ব্রাহিম বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘দুই ব্যক্তির মধ্যে একটি বিরোধের অবনতি’ হওয়ায় এই সংঘর্ষ হয়। লিবিয়ার সীমান্তের কাছে পার্বত্য কৌরি বৌগৌদি জেলায় চাদ এবং এর প্রতিবেশী দেশগুলোর খনি শ্রমিকরা মূল্যবান ধাতব সংগ্রহে আসে।

গত সপ্তাহে এই সংঘর্ষ হয়েছে। তবে এ ঘটনার বিস্তারিত এখন বেরিয়ে আসছে। কিছু গ্রুপ বলছে, সরকারি হিসাবের চেয়ে বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। কিছু মৃত্যুর জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকেও দায়ী করেছে তারা।

রাজধানী এন’জামেনা থেকে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে প্রথম যখন এই সহিংসতার খবর সামনে আসে, এর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ওই এলাকায় একটি মিশন পাঠায় সরকার।

জেনারেল ব্রাহিমকে উদ্ধৃত করে এএফপি জানিয়েছে, একটি বড় সামরিক দল এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে এনেছে। তিনি আরও বলেন, মৌরিতানিয়া এবং লিবিয়ার লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়েছে।

গত সপ্তাহে চাদের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রধান মাহামত নুর ইবেদু বলেছিলেন, সংঘর্ষ ঠেকাতে যে সৈন্যদের পাঠানো হয়েছিল তারা ‘মানুষজনের ওপর গুলি চালিয়েছে’।

তিনি এবং একজন বিরোধী নেতা বলেছেন, এ ঘটনায় ২০০ জন নিহত হয়েছেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এটি অস্বীকার করেছে এবং বলেছে যে এজন্য তারা দায়ী নয়। এদিকে এই সংঘর্ষের পর কৌরি বৌগৌদিতে সব সোনা খনির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বর্ণ খনি শ্রমিকদের লড়াইয়ে প্রাণ গেল ১০০ জনের

আপডেট সময় : ০২:০৩:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২

আফ্রিকার দেশে চাদের উত্তরাঞ্চলীয় প্রত্যন্ত এলাকা অনানুষ্ঠানিক স্বর্ণ খনি শ্রমিকদের মধ্যে লড়াইয়ে প্রায় ১০০ জন নিহত হয়েছেন। আর ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। খবর বিবিসির।

চাদের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাউদ ইয়ায়া ব্রাহিম বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘দুই ব্যক্তির মধ্যে একটি বিরোধের অবনতি’ হওয়ায় এই সংঘর্ষ হয়। লিবিয়ার সীমান্তের কাছে পার্বত্য কৌরি বৌগৌদি জেলায় চাদ এবং এর প্রতিবেশী দেশগুলোর খনি শ্রমিকরা মূল্যবান ধাতব সংগ্রহে আসে।

গত সপ্তাহে এই সংঘর্ষ হয়েছে। তবে এ ঘটনার বিস্তারিত এখন বেরিয়ে আসছে। কিছু গ্রুপ বলছে, সরকারি হিসাবের চেয়ে বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। কিছু মৃত্যুর জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকেও দায়ী করেছে তারা।

রাজধানী এন’জামেনা থেকে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে প্রথম যখন এই সহিংসতার খবর সামনে আসে, এর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ওই এলাকায় একটি মিশন পাঠায় সরকার।

জেনারেল ব্রাহিমকে উদ্ধৃত করে এএফপি জানিয়েছে, একটি বড় সামরিক দল এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে এনেছে। তিনি আরও বলেন, মৌরিতানিয়া এবং লিবিয়ার লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়েছে।

গত সপ্তাহে চাদের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রধান মাহামত নুর ইবেদু বলেছিলেন, সংঘর্ষ ঠেকাতে যে সৈন্যদের পাঠানো হয়েছিল তারা ‘মানুষজনের ওপর গুলি চালিয়েছে’।

তিনি এবং একজন বিরোধী নেতা বলেছেন, এ ঘটনায় ২০০ জন নিহত হয়েছেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এটি অস্বীকার করেছে এবং বলেছে যে এজন্য তারা দায়ী নয়। এদিকে এই সংঘর্ষের পর কৌরি বৌগৌদিতে সব সোনা খনির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।