বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পটুয়াখালীর গলাচিপায় ককটেল বিস্ফোরণ: ৭টি ককটেল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধার যুবদল নেতার পিতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ খাবারে বিষক্রিয়ায় ইরানে অসুস্থ ১২০০ পল্টনের বিএনপি অফিস খুলে দেয়ার দাবি ফখরুলের ৩ দিনের সফরে সৌদিতে চীনা প্রেসিডেন্ট বিএনপি দেশে আগুনসন্ত্রাস শুরু করেছে : ওবায়দুল কাদের খেলা বন্ধ করেন, নয়তো পরিস্থিতি কারো নিয়ন্ত্রণে থাকবে না : কর্ণেল অলি নাশকতার মামলায় হাজিরা দিলেন মির্জা ফখরুলসহ পাঁচ নেতা চট্টগ্রামে পরিবহন ধর্মঘট, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ পেরুর নতুন প্রেসিডেন্ট দিনা বলুআর্তে বিশ্বে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ১১৭৪ জনের মৃত্যু মস্কো আগ বাড়িয়ে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করবে না : পুতিন আফগানিস্তানে প্রকাশ্যে ‘জঘণ্য’ মৃত্যুদন্ড কার্যকরের নিন্দা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরই পেরুর প্রেসিডেন্ট আটক মেসিকে নিয়ে এবার মুখ খুললেন ডাচ কোচ ফন হাল

স্বাধীনতা সড়ক দুই দেশের সম্পর্কের সেতুবন্ধন: এলজিআরডি মন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : মার্চ ২০, ২০২১

মেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুরের মুজিবনগরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ‘স্বাধীনতা সড়ক’ বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্কের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।

শনিবার সকালে মেহেরপুরে মুজিবনগরে নির্মিত ‘স্বাধীনতা সড়ক’ পরিদর্শনে শেষে তাজুল সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

এ সময় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ এবং এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশীদ খান তার সঙ্গে ছিলেন।

সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ এবং উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ সফরের সময় দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা সড়কটির উদ্বোধন করবেন।

মুজিবনগরের স্মৃতি রক্ষার্থে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করতে মেহেরপুরের মুজিবনগরে ঐতিহাসিক স্বাধীনতা সড়কটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সড়কটি পরিদর্শন করে এর কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর-এলজিইডিসহ কাজটি বাস্তবায়ন করছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে রাস্তাটির গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে তাজুল ইসলাম বলেন, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্টজন এবং দেশি-বিদেশি অসংখ্য সংবাদকর্মী ভারতের কলকাতা থেকে নদীয়া হয়ে এ সড়কে মেহেরপুরের মুজিবনগর আসেন। বৈদ্যনাথতলায় যা এখন মুজিবনগর হিসেবে পরিচিত এখানেই স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়। শপথ নেন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।  এই সড়কটি দুই দেশের মধ্যকার সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের দুঃসময়ে ভারত বাংলাদেশকে বিভিন্নভাবে সাহায্য এবং সহযোগিতা করায় দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দুর্বার গতিতে উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ