ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘হাওরে আর সড়ক নয়, প্রয়োজনে উড়াল সেতু’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ এপ্রিল ২০২২ ৭৩ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পানির প্রবাহ ঠিক রাখতে হাওর এলাকায় নতুন করে কোনো সড়ক নির্মাণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। এখন থেকে ওইসব এলাকায় প্রয়োজনে উড়াল সড়ক নির্মাণ করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সভায়।

আজ সোমবার (১৮ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এদেশে সারা বছরে ৫ হাজার মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি সিলেট অঞ্চলে যে বৃষ্টিপাত হয় তার পরিমাণ ১২০০ মিলিমিটার। যে কারণে হঠাৎ করেই হাওর এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সাধারণত ৩০ এপ্রিলের মধ্যে হাওর এলাকার ধান কাটা শেষ হয়ে যায়। আগামী সাত দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাত না হলে ফসলের খুব বেশি ক্ষতি হবে না। সিলেট অঞ্চলের পানি সাধারণত কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়। এই এলাকায় হাওরের মধ্য দিয়ে অনেক রাস্তাঘাট নির্মাণ করা হয়েছে। এসব রাস্তার কারণে হাওরের পানি নামতে কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যদি সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে আধা কিলোমিটার পর পর ব্রিজ নির্মাণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘হাওরে আর সড়ক নয়, প্রয়োজনে উড়াল সেতু’

আপডেট সময় : ০৮:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ এপ্রিল ২০২২

পানির প্রবাহ ঠিক রাখতে হাওর এলাকায় নতুন করে কোনো সড়ক নির্মাণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। এখন থেকে ওইসব এলাকায় প্রয়োজনে উড়াল সড়ক নির্মাণ করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সভায়।

আজ সোমবার (১৮ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এদেশে সারা বছরে ৫ হাজার মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি সিলেট অঞ্চলে যে বৃষ্টিপাত হয় তার পরিমাণ ১২০০ মিলিমিটার। যে কারণে হঠাৎ করেই হাওর এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সাধারণত ৩০ এপ্রিলের মধ্যে হাওর এলাকার ধান কাটা শেষ হয়ে যায়। আগামী সাত দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাত না হলে ফসলের খুব বেশি ক্ষতি হবে না। সিলেট অঞ্চলের পানি সাধারণত কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়। এই এলাকায় হাওরের মধ্য দিয়ে অনেক রাস্তাঘাট নির্মাণ করা হয়েছে। এসব রাস্তার কারণে হাওরের পানি নামতে কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যদি সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে আধা কিলোমিটার পর পর ব্রিজ নির্মাণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।