শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শেয়ারবাজার ছাড়লেন আরও ২১৮৮ বিনিয়োগকারী জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে কেউ যেন বৈষম্যের শিকার না হন : রাষ্ট্রপতি ফের শাহরুখ খানের দলে সাকিব বিএনপি ভোট বর্জন করে গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে: দুদু সরকারের ধারাবাহিকতার কারণে এতো উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে : কাদের সাতক্ষীরায় ট্রাক উল্টে নিহত দুই টেক্সাসের হাস্টনে শক্তিশালী হারিকেনের আঘাত অর্থপাচার করলে কোন ছাড় নেই: ওবায়দুল কাদের প্রাথমিকে ২৯ শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষক গাজায় দীর্ঘমেয়াদে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হামাস বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়া বন্ধ করছে মালয়েশিয়া গাজায় প্রথমবার সমুদ্রপথে পৌঁছেছে ত্রাণ দেশে দেশে কঠোর হচ্ছে অভিবাসন নীতি জাবালিয়ায় তুমুল সংঘর্ষ, বহু ইসরাইলি সেনা হতাহত সুইডেনে ইসরায়েলি দূতাবাসে আতঙ্ক, অদূরে গোলাগুলি

১০২ বছরে পা দিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : জুলাই ১, ২০২২
১০২ বছরে পা দিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিষ্ঠার ১০১ পেরিয়ে ১০২ বছরে পদার্পণ করলো দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। শিক্ষা-গবেষণার বিস্তার, মুক্তচিন্তার উন্মেষ এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নতুন ও মৌলিক জ্ঞান সৃষ্টির লক্ষ্যে পথচলা শুরু হয় ঢাবির। দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রতিষ্ঠার এ দিনটি প্রতিবছর ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন : ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা’।

দিবসটি উপলক্ষে ঢাবি ক্যাম্পাস সেজেছে বর্ণিল সাজে। বিশেষ এই দিনটি ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবন, কার্জন হল, কলা ভবন ও ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি), প্রশাসনিক ভবনসহ কয়েকটি ভবন লাল, সবুজ, নীল রঙের বাতির আলোয় সাজানো হয়েছে।

৩ অনুষদ, ১২ বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক, ৮৪৭ শিক্ষার্থী এবং ৩ আবাসিক হল নিয়ে ১৯২১ সালের ১ জুলাই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে ১৩ অনুষদ, ৮৪ বিভাগ, ১৩ ইনস্টিটিউট, ১৯৮৬ জন শিক্ষক, প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী এবং ১৯টি আবাসিক হল ও ৪টি হোস্টেল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের ইতিহাসের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই প্রতিষ্ঠানটি। এসব আন্দোলনে অসংখ্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। এ ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানের আনাচকানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ইতিহাস, রচিত হয়েছে ইতিহাসের নানা অধ্যায়।

দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০টার পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শোভাযাত্রা সহকারে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের খেলার মাঠে সমবেত হন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন, পায়রা উড়ানো, কেক কাটা এবং সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে থিম সং পরিবেশিত হয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে উচ্চশিক্ষার বিস্তার, মানসম্পন্ন গবেষণা, জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসার, মুক্তবুদ্ধির চর্চা, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি এবং একটি আধুনিক ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেছেন, ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কিত জ্ঞান ও বিজ্ঞানের নিবিড় চর্চা এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশ নামের জাতিরাষ্ট্র সৃষ্টিতে এ প্রতিষ্ঠানটির অনবদ্য অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।


এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ