ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১১৮৪ কোটি টাকা লোকসানের মুখে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩০:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২২ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৩ আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ভারতে। এতে দেশটির সরকার কর ছাড় না দিলে ৯৫৫ কোটি রুপি লোকসানের মুখে পড়বে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। বাংলাদেশি মুদ্রা যার পরিমাণ প্রায় ১১৮৪ কোটি টাকা। দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

আগামী বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে ভারতে গড়াবে ওডিআই বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। ইতোমধ্যে লোকসানের পরিমাণ জানিয়ে রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে বার্তা পাঠিয়েছে বিসিসিআই।

আইসিসির নিয়মানুযায়ী, কোনও দেশ বিশ্বকাপ আয়োজন করলে সরকারের কাছ থেকে করছাড়ের অনুমতি নিতে হয়। যদি না পায়, সেক্ষেত্রে সেই অর্থ স্বাগতিক দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে দিতে হয়। ফলে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে আইসিসিকে কর দিতে হবে বিসিআইকে। আর সেই অর্থ বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে পাওয়া লভ্যাংশ থেকে পরিশোধ করতে হবে।

সাধারণত, খেলাধুলার বৈশ্বিক ইভেন্ট আয়োজনে করছাড় দেয় না ভারত সরকার। যে কারণে ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করে নিজস্ব কোষাগার থেকে আইসিসিকে ১৯৩ কোটি রুপি দেয় বিসিসিআই। স্বাভাবিকভাবেই ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ আয়োজন করতে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বাড়বে।

ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ আয়োজন করলে সম্প্রচারস্বত্বে লাভের ২১ দশমিক ৮৪ শতাংশ কর নেবে ভারতীয় সরকার। তবে তা কমিয়ে ১০ দশমিক ৯২ শতাংশ দিতে চাচ্ছে বিসিসিআই। এক্ষেত্রে আর্থিক লোকসানের পরিমাণ কমে দাঁড়াবে ৪৩০ কোটি রুপি। এখন দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত কী হয়?

নিউজটি শেয়ার করুন

১১৮৪ কোটি টাকা লোকসানের মুখে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড

আপডেট সময় : ১২:৩০:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২২

২০২৩ আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ভারতে। এতে দেশটির সরকার কর ছাড় না দিলে ৯৫৫ কোটি রুপি লোকসানের মুখে পড়বে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। বাংলাদেশি মুদ্রা যার পরিমাণ প্রায় ১১৮৪ কোটি টাকা। দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

আগামী বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে ভারতে গড়াবে ওডিআই বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। ইতোমধ্যে লোকসানের পরিমাণ জানিয়ে রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে বার্তা পাঠিয়েছে বিসিসিআই।

আইসিসির নিয়মানুযায়ী, কোনও দেশ বিশ্বকাপ আয়োজন করলে সরকারের কাছ থেকে করছাড়ের অনুমতি নিতে হয়। যদি না পায়, সেক্ষেত্রে সেই অর্থ স্বাগতিক দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে দিতে হয়। ফলে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে আইসিসিকে কর দিতে হবে বিসিআইকে। আর সেই অর্থ বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে পাওয়া লভ্যাংশ থেকে পরিশোধ করতে হবে।

সাধারণত, খেলাধুলার বৈশ্বিক ইভেন্ট আয়োজনে করছাড় দেয় না ভারত সরকার। যে কারণে ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করে নিজস্ব কোষাগার থেকে আইসিসিকে ১৯৩ কোটি রুপি দেয় বিসিসিআই। স্বাভাবিকভাবেই ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ আয়োজন করতে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বাড়বে।

ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ আয়োজন করলে সম্প্রচারস্বত্বে লাভের ২১ দশমিক ৮৪ শতাংশ কর নেবে ভারতীয় সরকার। তবে তা কমিয়ে ১০ দশমিক ৯২ শতাংশ দিতে চাচ্ছে বিসিসিআই। এক্ষেত্রে আর্থিক লোকসানের পরিমাণ কমে দাঁড়াবে ৪৩০ কোটি রুপি। এখন দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত কী হয়?