ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০২৫ সাল নাগাদ চাঁদে গাছ লাগাতে চায় অস্ট্রেলিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২ ৬৩ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা নতুন এক অভিযানের অংশ হিসেবে ২০২৫ সাল নাগাদ চাঁদে গাছ লাগানোর চেষ্টা করছেন। আজ শুক্রবার এ সংক্রান্ত একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে।

ভবিষ্যতে চাঁদের বুকে মানুষের বসতি স্থাপনের উপায় বের করতে এ গবেষণা সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে এ খবর জানিয়েছে এনডিটিভি।

কুইন্সল্যান্ড প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞানী ব্রেট উইলিয়ামস বলেন, ইসরায়েলের বেসরকারি চন্দ্রাভিযানের অংশ হিসেবে বেরেশিট ২ মহাকাশ যানে করে চাঁদে বীজ পাঠানো হবে। মহাকাশ যানটি চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের পর বীজগুলো একটি বদ্ধ জায়গায় রেখে পানি দেওয়া হবে। এরপর এগুলোর অঙ্কুরোদ্‌গম এবং বিকাশ পর্যবেক্ষণ করা হবে।

প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও কোন গাছ বেশি সময় ধরে টিকে থাকতে পারে এবং কত দ্রুত অঙ্কুরিত হতে পারে, তার ভিত্তিতে এই চন্দ্রাভিযানের জন্য উপযোগী গাছের বীজ বাছাই করা হবে।

অস্ট্রেলিয়ার এক প্রকারের দীর্ঘজীবী ঘাসকে এ ক্ষেত্রে বেছে নেওয়া হতে পারে। সুপ্ত অবস্থায় এ ঘাস পানি ছাড়াই টিকে থাকতে পারে।

এক বিবৃতিতে গবেষকেরা বলেন, ‘চাঁদে খাদ্য, ওষুধ ও অক্সিজেন উৎপাদন প্রচেষ্টার আগের ধাপের প্রকল্প এটি। চাঁদের বুকে মানুষের বসতি স্থাপনের ক্ষেত্রে এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

ক্যানবেরায় অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক কেইটলিন বার্ট মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খাদ্য নিরাপত্তাজনিত যে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলার ক্ষেত্রেও এ গবেষণা সহায়ক হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

২০২৫ সাল নাগাদ চাঁদে গাছ লাগাতে চায় অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় : ০২:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২

অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা নতুন এক অভিযানের অংশ হিসেবে ২০২৫ সাল নাগাদ চাঁদে গাছ লাগানোর চেষ্টা করছেন। আজ শুক্রবার এ সংক্রান্ত একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে।

ভবিষ্যতে চাঁদের বুকে মানুষের বসতি স্থাপনের উপায় বের করতে এ গবেষণা সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে এ খবর জানিয়েছে এনডিটিভি।

কুইন্সল্যান্ড প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞানী ব্রেট উইলিয়ামস বলেন, ইসরায়েলের বেসরকারি চন্দ্রাভিযানের অংশ হিসেবে বেরেশিট ২ মহাকাশ যানে করে চাঁদে বীজ পাঠানো হবে। মহাকাশ যানটি চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের পর বীজগুলো একটি বদ্ধ জায়গায় রেখে পানি দেওয়া হবে। এরপর এগুলোর অঙ্কুরোদ্‌গম এবং বিকাশ পর্যবেক্ষণ করা হবে।

প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও কোন গাছ বেশি সময় ধরে টিকে থাকতে পারে এবং কত দ্রুত অঙ্কুরিত হতে পারে, তার ভিত্তিতে এই চন্দ্রাভিযানের জন্য উপযোগী গাছের বীজ বাছাই করা হবে।

অস্ট্রেলিয়ার এক প্রকারের দীর্ঘজীবী ঘাসকে এ ক্ষেত্রে বেছে নেওয়া হতে পারে। সুপ্ত অবস্থায় এ ঘাস পানি ছাড়াই টিকে থাকতে পারে।

এক বিবৃতিতে গবেষকেরা বলেন, ‘চাঁদে খাদ্য, ওষুধ ও অক্সিজেন উৎপাদন প্রচেষ্টার আগের ধাপের প্রকল্প এটি। চাঁদের বুকে মানুষের বসতি স্থাপনের ক্ষেত্রে এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

ক্যানবেরায় অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক কেইটলিন বার্ট মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খাদ্য নিরাপত্তাজনিত যে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলার ক্ষেত্রেও এ গবেষণা সহায়ক হবে।