ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২০৩০ সালের আগেই মিলবে ক্যান্সারের টিকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০২২ ২৮ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ক্যান্সারের ভ্যাকসিন আগামী দশক থেকে রোগীদের জন্য পাওয়া যেতে পারে বলে আশার বাণী শুনালেন করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের সফল আবিষ্কারক এক দম্পতি। জার্মান বিজ্ঞানী দম্পতি অধ্যাপক উগুর সাহিন ও ওজলেম তুরেসি বলেছেন, ক্যান্সারের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পথে ‘যুগান্তকারী’ অগ্রগতি হয়েছে। এটি নিয়ে তারা কাজ চালিয়ে যাবেন।

তারা বলেন, অতিমারিতে ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা ফাইজার/বায়োএনটেকের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের আবিষ্কার এবং সাফল্যই ‘আমাদের ক্যানসারের কাজে ফিরিয়ে নিয়েছে।’

বিবিসির সানডে অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ২০০৮ সালে জার্মানির মেইঞ্জ শহরে প্রতিষ্ঠিত বায়োএনটেকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা উগুর সাহিন ও ওজলেম তুরেসি দম্পতি। রোগীদের জন্য ক্যানসারের ইমিউনোথেরাপি আবিষ্কারের পথে কাজ করছেন তারা।

তাদের এমআরএনএ প্রযুক্তির ব্যবহার করোনা অতিমারীতে ব্যাপক সাফল্য দেখিয়েছে। এই দম্পতি বলেছেন, করোনা টিকা আবিষ্কারের সেই অভিজ্ঞতা তাদের কাজে উৎসাহ জুগিয়েছে।

কবে নাগাদ বিশ্বের সব রোগীর কাছে ক্যানসারের টিকা সহজলভ্য হতে পারে, এমন এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক সাহিন বলেছেন, ২০৩০ সালের আগেই এটি হতে পারে।

বিবিসির কুয়েনসবার্গকে তুরেসি বলেছেন, ক্যানসারের ভ্যাকসিন তৈরির জন্য আমরা কয়েক দশক ধরে যা তৈরি করেছি, তা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন তৈরিতে ফল দিয়েছে। এখন কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন এবং এটি তৈরি করতে গিয়ে আমাদের যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, তা ক্যানসারের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের কাজকে গতিশীল করছে।

তুরেসি আরো বলেন, করোনা ভ্যাকসিনের আবিষ্কার নিয়ন্ত্রকদের এমআরএনএ ভ্যাকসিন এবং কিভাবে সেগুলো ব্যবহার করতে হয় সে সম্পর্কে জানতে সাহায্য করেছে।

তুরেসি বলেন, ‘এটি অবশ্যই আমাদের ক্যানসারের টিকা তৈরির গতিকেও ত্বরান্বিত করবে।’ সূত্র: ব্লুমবার্গ

নিউজটি শেয়ার করুন

২০৩০ সালের আগেই মিলবে ক্যান্সারের টিকা

আপডেট সময় : ০১:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০২২

ক্যান্সারের ভ্যাকসিন আগামী দশক থেকে রোগীদের জন্য পাওয়া যেতে পারে বলে আশার বাণী শুনালেন করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের সফল আবিষ্কারক এক দম্পতি। জার্মান বিজ্ঞানী দম্পতি অধ্যাপক উগুর সাহিন ও ওজলেম তুরেসি বলেছেন, ক্যান্সারের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পথে ‘যুগান্তকারী’ অগ্রগতি হয়েছে। এটি নিয়ে তারা কাজ চালিয়ে যাবেন।

তারা বলেন, অতিমারিতে ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা ফাইজার/বায়োএনটেকের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের আবিষ্কার এবং সাফল্যই ‘আমাদের ক্যানসারের কাজে ফিরিয়ে নিয়েছে।’

বিবিসির সানডে অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ২০০৮ সালে জার্মানির মেইঞ্জ শহরে প্রতিষ্ঠিত বায়োএনটেকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা উগুর সাহিন ও ওজলেম তুরেসি দম্পতি। রোগীদের জন্য ক্যানসারের ইমিউনোথেরাপি আবিষ্কারের পথে কাজ করছেন তারা।

তাদের এমআরএনএ প্রযুক্তির ব্যবহার করোনা অতিমারীতে ব্যাপক সাফল্য দেখিয়েছে। এই দম্পতি বলেছেন, করোনা টিকা আবিষ্কারের সেই অভিজ্ঞতা তাদের কাজে উৎসাহ জুগিয়েছে।

কবে নাগাদ বিশ্বের সব রোগীর কাছে ক্যানসারের টিকা সহজলভ্য হতে পারে, এমন এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক সাহিন বলেছেন, ২০৩০ সালের আগেই এটি হতে পারে।

বিবিসির কুয়েনসবার্গকে তুরেসি বলেছেন, ক্যানসারের ভ্যাকসিন তৈরির জন্য আমরা কয়েক দশক ধরে যা তৈরি করেছি, তা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন তৈরিতে ফল দিয়েছে। এখন কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন এবং এটি তৈরি করতে গিয়ে আমাদের যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, তা ক্যানসারের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের কাজকে গতিশীল করছে।

তুরেসি আরো বলেন, করোনা ভ্যাকসিনের আবিষ্কার নিয়ন্ত্রকদের এমআরএনএ ভ্যাকসিন এবং কিভাবে সেগুলো ব্যবহার করতে হয় সে সম্পর্কে জানতে সাহায্য করেছে।

তুরেসি বলেন, ‘এটি অবশ্যই আমাদের ক্যানসারের টিকা তৈরির গতিকেও ত্বরান্বিত করবে।’ সূত্র: ব্লুমবার্গ