ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২৭ বছরে ৪৬ সন্তানের বাবা!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২২ ৭৭ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বয়স মাত্র ২৭, এরই মধ্যে ৪৬ সন্তানের বাবা তিনি। কয়েক মাসের মধ্য়েই আরও ৯ সন্তান আসতে চলেছে পৃথিবীতে। না, কোনো রূপকথার কল্প কাহিনি বলছি না। আমেরিকার ক্যালিফর্নিয়ার বাসিন্দা কইল গর্ডির কথা বলছিলাম। তার ইচ্ছা ১০০ সন্তানের বাবা হবেন।

তিনি নিজেকে ‘আধুনিক যুগের যীশু’ বলে দাবি করেন। তিনি জানান, শুধুমাত্র শুক্রাণু দান করার সময় যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন এবং কখনই আনন্দের জন্য তিনি এই কাজ করেন না।

কইল গর্ডি পেশায় একজন স্পার্ম ডোনার। সুস্থ-সবল সন্তানের জন্য ব্রিটেন এবং আমেরিকার বহু দম্পতি এখন তার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সম্প্রতি কেমব্রিজের একটি লেসবিয়ান দম্পতিকেও শুক্রাণু দিয়ে সাহায্য করেছেন তিনি। ২০১৪ সালে প্রথমবার স্পার্ম ডোনেট করেন কইল।

যে নারীকে তিনি প্রথম শুক্রাণু দান করেছিলেন, তিনি ছিলেন তার বন্ধু। সেই নারীর একটি পুত্র সন্তান হয়। এখন তার বয়স ৭ বছর। স্পার্ম ডোনেটের জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হয় কইলকে। শরীরের দিকে নজর রাখতে হয়। স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হয়। কোনো ধরনের জাঙ্ক ফুড স্পার্মকে খারাপ করতে পারে। যার সরাসরি প্রভাব পড়বে শিশুর শরীরে। তিনি আরও বলেন, ’আমার কোন সম্পর্কে যাবার ইচ্ছা নেই তবে সন্তানের খুব শখ।’

বিশ্বের অনেক মানুষ স্বেচ্ছায় স্পার্ম ডোনেট করেন। অনেক দেশেই এখন এটি বৈধ। এমনকি হাসপাতালগুলোর মাধ্যমেই এই স্পার্ম কালেক্ট করা হয় এবং সেগুলো নিঃস্বন্তান দম্পতি বা যারা নিতে ইচ্ছুক তাদের দেওয়া হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই একে অপরের পরিচয় জানেন না।

তবে কইল তার স্পার্ম ডোনেট করেন সরাসরি নিজেই। কোনো সংস্থার মাধ্যমে নয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সঙ্গে অন্যরা যোগাযোগ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

২৭ বছরে ৪৬ সন্তানের বাবা!

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২২

বয়স মাত্র ২৭, এরই মধ্যে ৪৬ সন্তানের বাবা তিনি। কয়েক মাসের মধ্য়েই আরও ৯ সন্তান আসতে চলেছে পৃথিবীতে। না, কোনো রূপকথার কল্প কাহিনি বলছি না। আমেরিকার ক্যালিফর্নিয়ার বাসিন্দা কইল গর্ডির কথা বলছিলাম। তার ইচ্ছা ১০০ সন্তানের বাবা হবেন।

তিনি নিজেকে ‘আধুনিক যুগের যীশু’ বলে দাবি করেন। তিনি জানান, শুধুমাত্র শুক্রাণু দান করার সময় যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন এবং কখনই আনন্দের জন্য তিনি এই কাজ করেন না।

কইল গর্ডি পেশায় একজন স্পার্ম ডোনার। সুস্থ-সবল সন্তানের জন্য ব্রিটেন এবং আমেরিকার বহু দম্পতি এখন তার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সম্প্রতি কেমব্রিজের একটি লেসবিয়ান দম্পতিকেও শুক্রাণু দিয়ে সাহায্য করেছেন তিনি। ২০১৪ সালে প্রথমবার স্পার্ম ডোনেট করেন কইল।

যে নারীকে তিনি প্রথম শুক্রাণু দান করেছিলেন, তিনি ছিলেন তার বন্ধু। সেই নারীর একটি পুত্র সন্তান হয়। এখন তার বয়স ৭ বছর। স্পার্ম ডোনেটের জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হয় কইলকে। শরীরের দিকে নজর রাখতে হয়। স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হয়। কোনো ধরনের জাঙ্ক ফুড স্পার্মকে খারাপ করতে পারে। যার সরাসরি প্রভাব পড়বে শিশুর শরীরে। তিনি আরও বলেন, ’আমার কোন সম্পর্কে যাবার ইচ্ছা নেই তবে সন্তানের খুব শখ।’

বিশ্বের অনেক মানুষ স্বেচ্ছায় স্পার্ম ডোনেট করেন। অনেক দেশেই এখন এটি বৈধ। এমনকি হাসপাতালগুলোর মাধ্যমেই এই স্পার্ম কালেক্ট করা হয় এবং সেগুলো নিঃস্বন্তান দম্পতি বা যারা নিতে ইচ্ছুক তাদের দেওয়া হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই একে অপরের পরিচয় জানেন না।

তবে কইল তার স্পার্ম ডোনেট করেন সরাসরি নিজেই। কোনো সংস্থার মাধ্যমে নয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সঙ্গে অন্যরা যোগাযোগ করেন।