ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৩২ দেশ স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের আওতায়, তালিকায় নেই এশিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মে ২০২২ ১০০ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইলন মাস্কের স্টার লিংক স্যাটেলাইট প্রজেক্টের মাধ্যমে দ্রুতগতির নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা হয়। ইতিমধ্যেই বিশ্বের অনেক দেশ এই সেবার আওতায় এসেছে। সম্প্রতি তাদের সেবার এই পরিধি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তথ্য বলছে, নতুন করে ৩২টি দেশ মাস্কের এই স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার আওতায় আসছে। প্রতিষ্ঠানটি এই সংক্রান্ত একটি ম্যাপ শেয়ার করেছে। প্রকাশিত এই ম্যাপে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোই প্রথম সারিতে থাকলেও এশিয়া মহাদেশের জন্য রয়েছে দুঃসংবাদ। তালিকায় এশিয়া মহাদেশকে অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে।

শেয়ার করা ম্যাপে দেখা যায়, দক্ষিণ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এখনই মাস্ক এর ব্রডব্যান্ড স্যাটেলাইট সেবার আওতায় আসছে।
প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ভার্জ তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আফ্রিকা মহাদেশসহ বাকি দেশগুলো ‘কামিং সুন’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, এসব দেশে ২০২৩ সাল নাগাদ এই সেবা পাওয়া যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

৩২ দেশ স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের আওতায়, তালিকায় নেই এশিয়া

আপডেট সময় : ১২:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মে ২০২২

ইলন মাস্কের স্টার লিংক স্যাটেলাইট প্রজেক্টের মাধ্যমে দ্রুতগতির নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা হয়। ইতিমধ্যেই বিশ্বের অনেক দেশ এই সেবার আওতায় এসেছে। সম্প্রতি তাদের সেবার এই পরিধি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তথ্য বলছে, নতুন করে ৩২টি দেশ মাস্কের এই স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার আওতায় আসছে। প্রতিষ্ঠানটি এই সংক্রান্ত একটি ম্যাপ শেয়ার করেছে। প্রকাশিত এই ম্যাপে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোই প্রথম সারিতে থাকলেও এশিয়া মহাদেশের জন্য রয়েছে দুঃসংবাদ। তালিকায় এশিয়া মহাদেশকে অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে।

শেয়ার করা ম্যাপে দেখা যায়, দক্ষিণ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এখনই মাস্ক এর ব্রডব্যান্ড স্যাটেলাইট সেবার আওতায় আসছে।
প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ভার্জ তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আফ্রিকা মহাদেশসহ বাকি দেশগুলো ‘কামিং সুন’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, এসব দেশে ২০২৩ সাল নাগাদ এই সেবা পাওয়া যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।