ঢাকা ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৫০ বছরেও জ্বালানি তেল শোধনক্ষমতা বাড়েনি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪১:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অক্টোবর ২০২২ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বাধীনতার পর দেশের জ্বালানি তেল শোধনাগারের পরিশোধন ক্ষমতা বাড়েনি। বাড়ানো যায়নি সংরক্ষণাগার সুবিধাও। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত্ব শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে ১৫ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধি জ্বালানি তেল শোধন করতে পারে। আর ৩০ থেকে ৩৫ দিনের তেল সংরক্ষণ করার সুবিধা আছে দেশে।

দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বাড়লেও গত পাঁচ দশকের বেশি সময়ে বাড়ানো যায়নি অপরিশোধিত তেল শোধনের সক্ষমতা। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৫৩ বছর ধরে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত্ব শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড মোট চাহিদার এক চতুর্থাংশ শোধন করতে পারে।

প্রতিবছর এই রিফাইনারি থেকে সক্ষমতা অনুযায়ী মাত্র ১৫ লাখ টন তেল পরিশোধন করা হয়। অথচ দেশে এখন জ্বালানি তেলের বার্ষিক চাহিদা ৬৫ থেকে ৭০ লাখ মেট্রিক টন। এ অবস্থায় সরকার ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট করার প্রকল্প হাতে নিলেও তা এক দশকের বেশি সময় ধরে আটকে আছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, বিপিসি’র চেয়ারম্যান এবিএম আজাদ জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা গেলে বছরে ৩০ লাখ টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করা যাবে।

বর্তমানে জ্বালানি তেলের চাহিদার সিংহভাগই ডিজেলের ব্যবহার। যার প্রায় পুরোটাই পরিশোধিত তেল হিসেবে আমদানি করতে হয়। দেশে তেল মজুদক্ষমতা ৩০ থেকে ৩৫ দিনের। পরিশোধন সক্ষমতার পাশপাশি মজুতক্ষমতাও দ্বিগুণ করার কাজ চলছে বলে জানান বিপিসি’র চেয়ারম্যান।

বেশি পরিমাণে অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে পারলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি দেশীয় উৎস থেকে পেট্রোল, অকটেনের উৎপাদন বাড়বে বলে জানান বিপিসি’র চেয়ারম্যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

৫০ বছরেও জ্বালানি তেল শোধনক্ষমতা বাড়েনি

আপডেট সময় : ০৪:৪১:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অক্টোবর ২০২২

স্বাধীনতার পর দেশের জ্বালানি তেল শোধনাগারের পরিশোধন ক্ষমতা বাড়েনি। বাড়ানো যায়নি সংরক্ষণাগার সুবিধাও। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত্ব শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে ১৫ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধি জ্বালানি তেল শোধন করতে পারে। আর ৩০ থেকে ৩৫ দিনের তেল সংরক্ষণ করার সুবিধা আছে দেশে।

দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বাড়লেও গত পাঁচ দশকের বেশি সময়ে বাড়ানো যায়নি অপরিশোধিত তেল শোধনের সক্ষমতা। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৫৩ বছর ধরে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত্ব শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড মোট চাহিদার এক চতুর্থাংশ শোধন করতে পারে।

প্রতিবছর এই রিফাইনারি থেকে সক্ষমতা অনুযায়ী মাত্র ১৫ লাখ টন তেল পরিশোধন করা হয়। অথচ দেশে এখন জ্বালানি তেলের বার্ষিক চাহিদা ৬৫ থেকে ৭০ লাখ মেট্রিক টন। এ অবস্থায় সরকার ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট করার প্রকল্প হাতে নিলেও তা এক দশকের বেশি সময় ধরে আটকে আছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, বিপিসি’র চেয়ারম্যান এবিএম আজাদ জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা গেলে বছরে ৩০ লাখ টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করা যাবে।

বর্তমানে জ্বালানি তেলের চাহিদার সিংহভাগই ডিজেলের ব্যবহার। যার প্রায় পুরোটাই পরিশোধিত তেল হিসেবে আমদানি করতে হয়। দেশে তেল মজুদক্ষমতা ৩০ থেকে ৩৫ দিনের। পরিশোধন সক্ষমতার পাশপাশি মজুতক্ষমতাও দ্বিগুণ করার কাজ চলছে বলে জানান বিপিসি’র চেয়ারম্যান।

বেশি পরিমাণে অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে পারলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি দেশীয় উৎস থেকে পেট্রোল, অকটেনের উৎপাদন বাড়বে বলে জানান বিপিসি’র চেয়ারম্যান।