ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৫ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে লাগে বাঁশের মই

লালমনিরহাট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুন ২০২২ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লালমনিরহাটে রত্নাই নদীর ওপর ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এলজিইডি বিভাগের সেতুটি কোনও কাজে আসছে না। সংযোগ সড়ক না থাকায় বাঁশের মই দিয়ে উঠতে হচ্ছে সেতুর উপরে।

জেলার সদর উপজেলার দুড়াকুটি, কর্ণপুর, ফুলগাছ, মেঘারাম, ইটাপোতা, বুমকা ও খারুয়াসহ ৭টি গ্রামের অন্তত ত্রিশ হাজার মানুষের চলাচলের জন্য রত্নাই নদীর ওপর নির্মাণ করা হয় সেতুটি। ১২০মিটার দীর্ঘ ও ৮ মিটার চওড়া সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় পাঁচ কোটি ২৫ লাখ টাকা। কিন্তু, নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার ছয় মাস অতিবাহিত হলেও আজ তৈরি হয়নি সংযোগ সড়ক। এতে ভোগান্তিতে পথচারীরা।

বহুল প্রত্যাশিত সেতুটি নির্মাণের প্রথম থেকেই নানা সমস্যা লেগেছিল। এখন সংযোগ সড়ক না থাকায় দুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হয়েছে। আসছে বর্ষার আগে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা না হলে পথচারীদের ঘুরতে হবে বাড়তি ৮ কিলোমিটার। তাই ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।

এলজিইডি বিভাগ জানিয়েছে, সেতুটি ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে দু’দিকে মোট ১১৫মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণে করতে হবে। কিন্তু, সংযোগ সড়ক নির্মাণে জমির জটিলতা রয়েছে। এ সমস্যা দূর হলেইদ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।

চলমান সংকট সমাধান করে বর্ষার আগেই সেতুর ওপর দিয়ে যান চলাচল নিশ্চিত করবে কর্তৃপক্ষ- এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

নিউজটি শেয়ার করুন

৫ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে লাগে বাঁশের মই

আপডেট সময় : ১২:৫৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুন ২০২২

লালমনিরহাটে রত্নাই নদীর ওপর ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এলজিইডি বিভাগের সেতুটি কোনও কাজে আসছে না। সংযোগ সড়ক না থাকায় বাঁশের মই দিয়ে উঠতে হচ্ছে সেতুর উপরে।

জেলার সদর উপজেলার দুড়াকুটি, কর্ণপুর, ফুলগাছ, মেঘারাম, ইটাপোতা, বুমকা ও খারুয়াসহ ৭টি গ্রামের অন্তত ত্রিশ হাজার মানুষের চলাচলের জন্য রত্নাই নদীর ওপর নির্মাণ করা হয় সেতুটি। ১২০মিটার দীর্ঘ ও ৮ মিটার চওড়া সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় পাঁচ কোটি ২৫ লাখ টাকা। কিন্তু, নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার ছয় মাস অতিবাহিত হলেও আজ তৈরি হয়নি সংযোগ সড়ক। এতে ভোগান্তিতে পথচারীরা।

বহুল প্রত্যাশিত সেতুটি নির্মাণের প্রথম থেকেই নানা সমস্যা লেগেছিল। এখন সংযোগ সড়ক না থাকায় দুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হয়েছে। আসছে বর্ষার আগে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা না হলে পথচারীদের ঘুরতে হবে বাড়তি ৮ কিলোমিটার। তাই ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।

এলজিইডি বিভাগ জানিয়েছে, সেতুটি ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে দু’দিকে মোট ১১৫মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণে করতে হবে। কিন্তু, সংযোগ সড়ক নির্মাণে জমির জটিলতা রয়েছে। এ সমস্যা দূর হলেইদ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।

চলমান সংকট সমাধান করে বর্ষার আগেই সেতুর ওপর দিয়ে যান চলাচল নিশ্চিত করবে কর্তৃপক্ষ- এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।