শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাঙালির সব অর্জন আ. লীগের হাত ধরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী সত্য তথ্য দিয়ে ভুল তথ্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চাই : তথ্যপ্রতিমন্ত্রী বিএনপি ধপাস করে পড়ে গেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলছেনা ভারত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট থেকেও সরে দাঁড়ালেন সাকিব দেশে অনেক ছোট দল আছে, বিএনপি তেমন একটি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফের জামিন মঞ্জুর, মুক্তিতে বাধা নেই দখলদার সরকার ঐতিহ্যগতভাবেই জনগণকে শত্রুপক্ষ ভাবে: রিজভী আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি হাফেজ ৫ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীকে ৬ মাসের মধ্যে অবসর সুবিধা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন পোশাক রপ্তানির লক্ষ্য অর্জন নিয়ে শঙ্কা দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে আ. লীগ: প্রধানমন্ত্রী যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত জি কে শামীমের জামিন দারুণ জয়ে মৌসুম শুরু ইন্টার মায়ামির

৬০ বিঘার বেশি ব্যক্তিগত জমি থাকলেই বাজেয়াপ্ত

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : মে ২০, ২০২২

ব্যক্তিমালিকানায় ৬০ বিঘার বেশি জমি হলে অতিরিক্ত জমি সরকার বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। অর্থাৎ এখন থেকে ব্যক্তিগতভাবে ৬০ বিঘার বেশি জমির মালিক হওয়ার সুযোগ নেই। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ মে) মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ কথা জানান।

এর আগে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে ‘ভূমি উন্নয়ন কর আইন- ২০২২’ এবং ‘ভূমি সংস্কার আইন- ২০২২’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

ভূমি সংস্কার আইন প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ভূমি সংস্কার আইন এটা ১৯৮৪ সালের একটি অর্ডিন্যান্স ছিল, সেটাকে ভূমি সংস্কার আইন হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছে। যেমন ভূমি সংস্কার আইনে কৃষি জমি ৬০ বিঘা, কিন্তু এ আইনে বলা হয়েছে যদি রপ্তানিমূলক কৃষিপণ্য বা অন্য কোনো প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প হয় তবে সেক্ষেত্রে এই ৬০ বিঘা প্রযোজ্য হবে না।

তিনি বলেন, ব্যক্তিমালিকানায় ৬০ বিঘার বেশি নিতে পারবে না। ২৫ বিঘা পর্যন্ত খাজনা মাফ। আর ম্যাক্সিমাম রাখতে পারবে একজন ৬০ বিঘা। কিন্তু সে যদি কোন ইন্ডাস্ট্রি করে কৃষি পণ্যের যেটা রপ্তানিমুখী তাইলে সেক্ষেত্রে এই ৬০ বিঘার সিলিং তার জন্য প্রযোজ্য নয়।

প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ৬০ বিঘার বেশি হলে ওটা সিজ করে নিয়ে যাবে। ধরেন কারো ২০০ বিঘা জমি ছিল তখন সে তাড়াতাড়ি ছেলেরে মিউটেশন করে দিছে, মেয়েকে মিউটেশন করে দিছে। সে নিজে ৬০ বিঘার নিচেই রাখছে। … ৬০ বিঘার চেয়ে বেশি সিলিং রাখতে পারবে না।

দেশে বিদ্যমান ১৯৮৪ সালে ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ অনুযায়ী একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৬০ বিঘা জমির মালিক হতে পারবেন। ‘ভূমি সংস্কার আইন- ২০২২’এর খসড়াতেও একজন ব্যক্তির জমির মালিক হওয়ার সর্বোচ্চ সীমা ৬০ বিঘা রাখা হয়।

ভূমি উন্নয়ন কর আইনের বিষয়ে বলেন, আগের একটি অধ্যাদেশকে পরিমার্জন করে নতুন আইন করা হচ্ছে। নতুন আইন পাস হলে কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষিজমির পরিমাণ ৮ দশমিক ২৫ একর বা ২৫ বিঘা পর্যন্ত ট্যাক্স দিতে হবে না।

তবে জমি ২৫ বিঘার ওপরে থাকলে সব জমির জন্য ট্যাক্স দিতে হবে। সেক্ষেত্রে ২৫ এর উপরের টুকু না, বরং সবটুকুরওই ট্যাক্স দিতে হবে। তিন বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে ৬ দশমিক ২ শতাংশ হারে জরিমানা আদায় করা হবে।

সরকারি কবরস্থান, শ্মশান, মসজিদ, ঈদগাহ, মাঠ, মন্দির, গির্জা বা সর্বসাধারণের প্রার্থনার স্থানকে ভূমি উন্নয়ন করের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। তবে, ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কবরস্থানের ট্যাক্স দিতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ