ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবারও সালাহর স্বপ্নভঙ্গ

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আরও একবার মোহাম্মদ সালাহর হৃদয়ভঙ্গের কারণ হলেন ‘বন্ধু’ সাদিও মানে। প্রায় চার বছর পর এসে হতাশার সেই গল্পের কোনো পরিবর্তন হলো না। আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের সেমি ফাইনালে (আফকন) গতকাল নিষ্প্রাণ আর ম্যাড়ম্যাড়ে এক ম্যাচে আল নাসরের তারকা ফুটবলার মানের গোলেই ফাইনাল নিশ্চিত করে সেনেগাল। আর তাঞ্জিয়ারের গ্রাঁ স্তাদ দ্য তাঞ্জিয়ারে রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই অবিশ্বাস আর হতাশায় মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকেন লিভারপুলের ফরোয়ার্ড সালাহ।

২০১৭ সালে লিভারপুলে যোগ দেওয়ার পর সালাহ ক্লাব ফুটবলে প্রায় সব বড় শিরোপাই জিতেছেন—দুটি প্রিমিয়ার লিগ ও একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ। তবে ক্লাব সাফল্যের বাইরে যে একটি স্বপ্ন তাকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে, সেটি হলো মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব। আফকনের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দেশ মিসর। সাতবার চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলটি সালাহর অভিষেকের আগে ২০১০ সালের পর শিরোপা জেতে পারেনি।

আইভরি কোস্টকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পর সালাহ বলেছিলেন,‘আমার চেয়ে এই ট্রফি জিততে কেউ বেশি মরিয়া নয়—এমনকি মিসরেও না। আমি প্রায় সব পুরস্কারই জিতেছি। এই শিরোপাটাই আমি অপেক্ষা করছি।’ অবশ্য মিসরের হয়ে সালাহর আন্তর্জাতিক শিরোপার লড়াইয়ে এখনি শেষ দেখা যাচ্ছে না।

২০১১ সালে অভিষেকের পর ফারাওদের হয়ে ১১০টির বেশি ম্যাচ খেলা এই ফরোয়ার্ড ২০২৭ ও ২০২৯ সালের আফকনেও অংশ নিতে পারেন—এরপর টুর্নামেন্টটি চার বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হবে। তবে বয়স, আর ছন্দ ৩৩ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডকে কতদূর নিতে পারবে সেটাই দেখার বিষয়।

সেমি ফাইনালে জমজমাট লড়াইয়ের আশা করেছিলেন অনেকে। তবে ঝিমিয়ে পড়া ম্যাচে ৮০ মিনিট পর্যন্ত একটি শটও নিতে পারেনি মিসর। যেখানে সেনেগালের খেলোয়াড়রা ১২টি শট নিয়েছে, যার মধ্যে চারটি ছিল লক্ষ্যে। ৭৮ মিনিটে জয়সূচক গোলটি আসে মানের নৈপুণ্যে।

সালাহকে পুরো ম্যাচেই কড়া নজরদারিতে রাখেন ওয়েস্ট হ্যামের ডিফেন্ডার মালিক দিয়েফ। লিভারপুলের ফরোয়ার্ড পুরো ম্যাচে মাত্র ৩০বার বল স্পর্শ করেছেন, যার মধ্যে সেনেগালের বক্সের ভেতরে ছিল না একটিও।

নিউজটি শেয়ার করুন

আবারও সালাহর স্বপ্নভঙ্গ

আপডেট সময় : ০৪:১৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

আরও একবার মোহাম্মদ সালাহর হৃদয়ভঙ্গের কারণ হলেন ‘বন্ধু’ সাদিও মানে। প্রায় চার বছর পর এসে হতাশার সেই গল্পের কোনো পরিবর্তন হলো না। আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের সেমি ফাইনালে (আফকন) গতকাল নিষ্প্রাণ আর ম্যাড়ম্যাড়ে এক ম্যাচে আল নাসরের তারকা ফুটবলার মানের গোলেই ফাইনাল নিশ্চিত করে সেনেগাল। আর তাঞ্জিয়ারের গ্রাঁ স্তাদ দ্য তাঞ্জিয়ারে রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই অবিশ্বাস আর হতাশায় মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকেন লিভারপুলের ফরোয়ার্ড সালাহ।

২০১৭ সালে লিভারপুলে যোগ দেওয়ার পর সালাহ ক্লাব ফুটবলে প্রায় সব বড় শিরোপাই জিতেছেন—দুটি প্রিমিয়ার লিগ ও একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ। তবে ক্লাব সাফল্যের বাইরে যে একটি স্বপ্ন তাকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে, সেটি হলো মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব। আফকনের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দেশ মিসর। সাতবার চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলটি সালাহর অভিষেকের আগে ২০১০ সালের পর শিরোপা জেতে পারেনি।

আইভরি কোস্টকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পর সালাহ বলেছিলেন,‘আমার চেয়ে এই ট্রফি জিততে কেউ বেশি মরিয়া নয়—এমনকি মিসরেও না। আমি প্রায় সব পুরস্কারই জিতেছি। এই শিরোপাটাই আমি অপেক্ষা করছি।’ অবশ্য মিসরের হয়ে সালাহর আন্তর্জাতিক শিরোপার লড়াইয়ে এখনি শেষ দেখা যাচ্ছে না।

২০১১ সালে অভিষেকের পর ফারাওদের হয়ে ১১০টির বেশি ম্যাচ খেলা এই ফরোয়ার্ড ২০২৭ ও ২০২৯ সালের আফকনেও অংশ নিতে পারেন—এরপর টুর্নামেন্টটি চার বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হবে। তবে বয়স, আর ছন্দ ৩৩ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডকে কতদূর নিতে পারবে সেটাই দেখার বিষয়।

সেমি ফাইনালে জমজমাট লড়াইয়ের আশা করেছিলেন অনেকে। তবে ঝিমিয়ে পড়া ম্যাচে ৮০ মিনিট পর্যন্ত একটি শটও নিতে পারেনি মিসর। যেখানে সেনেগালের খেলোয়াড়রা ১২টি শট নিয়েছে, যার মধ্যে চারটি ছিল লক্ষ্যে। ৭৮ মিনিটে জয়সূচক গোলটি আসে মানের নৈপুণ্যে।

সালাহকে পুরো ম্যাচেই কড়া নজরদারিতে রাখেন ওয়েস্ট হ্যামের ডিফেন্ডার মালিক দিয়েফ। লিভারপুলের ফরোয়ার্ড পুরো ম্যাচে মাত্র ৩০বার বল স্পর্শ করেছেন, যার মধ্যে সেনেগালের বক্সের ভেতরে ছিল না একটিও।