ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানের প্রতি হুমকি ‘অস্থিরতা’ বৃদ্ধি করেছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:০২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতিসংঘের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গতকাল বৃহস্পতিবার সতর্ক করে বলেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের হুমকি বিক্ষোভ-বিধ্বস্ত দেশটিতে ‘অস্থিরতা’ আরও বাড়াচ্ছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

গত সপ্তাহে ইরান ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় কিছু সরকার বিরোধী বিক্ষোভে কেঁপে উঠে।

যদিও দমন-পীড়ন ও এক সপ্তাহব্যাপী ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের মুখে এই বিক্ষোভগুলো কিছুটা কমে গেছে বলে মনে হচ্ছে।

গত বুধবার পর্যন্ত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভের জন্য গ্রেফতার ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়ে দিচ্ছিল।

জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব মার্থা পোবি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে বলেছেন, আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে বিভিন্ন প্রকাশ্য বক্তব্য, যা ইরানের ওপর সম্ভাব্য সামরিক হামলার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এই বাহ্যিক মাত্রা ইতোমধ্যেই জ্বলন্ত পরিস্থিতির অস্থিরতা বৃদ্ধি করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘পরিস্থিতির অধিকতর অবনতি ঘটা ঠেকানোর জন্য, যে কোনও প্রচেষ্টা নেওয়া উচিত।’

সভায় ইরানের প্রতিনিধি গোলাম হোসেইন দারজি ওয়াশিংটনকে ‘শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভগুলোকে ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে শোষণের’ অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘অস্থিরতা পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যেই’ ট্রাম্প মন্তব্য করে যাচ্ছেন।

ইরানি‑আমেরিকান সাংবাদিক মাসিহ আলিনেজাদ বলেছেন, ইরানের সকল মানুষ ধর্মীয় শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ।’

আলিনেজাদকে ওয়াশিংটন নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের প্রতি হুমকি ‘অস্থিরতা’ বৃদ্ধি করেছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০২:০২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

জাতিসংঘের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গতকাল বৃহস্পতিবার সতর্ক করে বলেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের হুমকি বিক্ষোভ-বিধ্বস্ত দেশটিতে ‘অস্থিরতা’ আরও বাড়াচ্ছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

গত সপ্তাহে ইরান ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় কিছু সরকার বিরোধী বিক্ষোভে কেঁপে উঠে।

যদিও দমন-পীড়ন ও এক সপ্তাহব্যাপী ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের মুখে এই বিক্ষোভগুলো কিছুটা কমে গেছে বলে মনে হচ্ছে।

গত বুধবার পর্যন্ত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভের জন্য গ্রেফতার ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়ে দিচ্ছিল।

জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব মার্থা পোবি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে বলেছেন, আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে বিভিন্ন প্রকাশ্য বক্তব্য, যা ইরানের ওপর সম্ভাব্য সামরিক হামলার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এই বাহ্যিক মাত্রা ইতোমধ্যেই জ্বলন্ত পরিস্থিতির অস্থিরতা বৃদ্ধি করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘পরিস্থিতির অধিকতর অবনতি ঘটা ঠেকানোর জন্য, যে কোনও প্রচেষ্টা নেওয়া উচিত।’

সভায় ইরানের প্রতিনিধি গোলাম হোসেইন দারজি ওয়াশিংটনকে ‘শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভগুলোকে ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে শোষণের’ অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘অস্থিরতা পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যেই’ ট্রাম্প মন্তব্য করে যাচ্ছেন।

ইরানি‑আমেরিকান সাংবাদিক মাসিহ আলিনেজাদ বলেছেন, ইরানের সকল মানুষ ধর্মীয় শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ।’

আলিনেজাদকে ওয়াশিংটন নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।