ঢাকা ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানে ইসরায়েলের লাগাতার হামলা, যোগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলের হামলার সঙ্গে যোগ দিয়েছে তাদের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রও। এমনটি জানিয়েছে একজন মার্কিন কর্মকর্তা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত এই হামলাগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একসঙ্গে সমন্বিতভাবে চালিয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ইসরায়েলের হামলার পর নিরাপত্তা সতর্কতা জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কাতারে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সব কর্মীর জন্য ‘শেল্টার-ইন-প্লেস’ নির্দেশনা জারি করেছে। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কাতারে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদেরও নিজ নিজ স্থানে নিরাপদে থাকার পরামর্শ দিয়া হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্সের বরাতে জানা যায়, তেহরানের ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট ও জোমহুরি এলাকায় কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। পাশাপাশি পশ্চিম তেহরানে অবস্থানরত আল জাজিরার সংবাদদাতা দুটি পৃথক বোমা বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথাও জানিয়েছেন।

খবরে বলা হয়, আল জাজিরার একজন সংবাদদাতা জানিয়েছেন, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। এছাড়া সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, তেহরানের ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট এবং জোমহুরি এলাকায় বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র।

ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সতর্কতা হিসেবে এই সাইরেন বাজানো হয়েছে।”

পৃথক বিবৃতিতে দেশটি আরও জানিয়েছে, দেশের সমস্ত এলাকা জরুরি কিছু কার্যক্রম ছাড়া সব কিছু বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে স্কুল, যে কোনো সমাবেশ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্র ছাড়া সব কর্মক্ষেত্র বন্ধ থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানে ইসরায়েলের লাগাতার হামলা, যোগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও

আপডেট সময় : ০১:২০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলের হামলার সঙ্গে যোগ দিয়েছে তাদের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রও। এমনটি জানিয়েছে একজন মার্কিন কর্মকর্তা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত এই হামলাগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একসঙ্গে সমন্বিতভাবে চালিয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ইসরায়েলের হামলার পর নিরাপত্তা সতর্কতা জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কাতারে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সব কর্মীর জন্য ‘শেল্টার-ইন-প্লেস’ নির্দেশনা জারি করেছে। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কাতারে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদেরও নিজ নিজ স্থানে নিরাপদে থাকার পরামর্শ দিয়া হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্সের বরাতে জানা যায়, তেহরানের ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট ও জোমহুরি এলাকায় কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। পাশাপাশি পশ্চিম তেহরানে অবস্থানরত আল জাজিরার সংবাদদাতা দুটি পৃথক বোমা বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথাও জানিয়েছেন।

খবরে বলা হয়, আল জাজিরার একজন সংবাদদাতা জানিয়েছেন, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। এছাড়া সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, তেহরানের ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট এবং জোমহুরি এলাকায় বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদেও ‘তেহরানে বিস্ফোরণ ঘটেছে’ বলে সম্প্রচার করা হয়েছে— তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র।

ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কোনো বিবৃতি কিংবা বার্তা দেওয়া হয়নি; তবে ইসরায়েল কাৎজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক সাইরেনও বাজানো হয়েছে। সাইরেন বাজানোর কারণ ব্যাখ্যা করে এক বিবৃতিতে বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সম্ভাবনা সম্পর্কে জনসাধারণকে প্রস্তুত করার জন্য সতর্কতা হিসেবে এই সাইরেন বাজানো হয়েছে।”

পৃথক বিবৃতিতে দেশটি আরও জানিয়েছে, দেশের সমস্ত এলাকা জরুরি কিছু কার্যক্রম ছাড়া সব কিছু বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে স্কুল, যে কোনো সমাবেশ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্র ছাড়া সব কর্মক্ষেত্র বন্ধ থাকবে।