ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন এরদোগান

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান ইরানে বেসামরিক নাগরিকদের দুর্ভোগে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছেন, শান্তি ফিরিয়ে আনতে যুদ্ধবিরতির জন্য তুরস্ক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ইরানি জনগণের বেদনার অংশীদার। সোমবার রাজধানী আঙ্কারায় এক অনুষ্ঠানে এরদোগান বলেন, ‘এই দুর্ভোগ প্রত্যক্ষ করতে পেরে আমরা গভীরভাবে দুঃখিত, যেখানে বেসামরিক নাগরিক, নিরীহ শিশুরাই সংঘাতের বোঝা বহন করছে।

যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত এবং ওই অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে না আসা পর্যন্ত তুরস্ক কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদার করবে বলে এরদোগান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তির পাশে দাঁড়িয়েছি, আমরা চাই রক্তপাত বন্ধ হোক, অশ্রু বন্ধ হোক এবং আমাদের অঞ্চল অবশেষে সেই স্থায়ী শান্তি অর্জন করুক যা এটি দীর্ঘদিন ধরে আকাঙ্ক্ষা করেছিল।

প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, তুরস্কের অগ্রাধিকার হচ্ছে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং সংলাপের দরজা খুলে দেওয়া।

এরদোগান বলেন, ‘যদি প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ না করা হয়, তাহলে এই সংঘাত আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে।

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের প্রক্রিয়া যে অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা নিয়ে আসবে তা কেউ সহ্য করতে পারবে না। তাই এই আগুন আর ছড়িয়ে পড়ার আগেই নিভিয়ে দিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন এরদোগান

আপডেট সময় : ১২:১৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান ইরানে বেসামরিক নাগরিকদের দুর্ভোগে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছেন, শান্তি ফিরিয়ে আনতে যুদ্ধবিরতির জন্য তুরস্ক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ইরানি জনগণের বেদনার অংশীদার। সোমবার রাজধানী আঙ্কারায় এক অনুষ্ঠানে এরদোগান বলেন, ‘এই দুর্ভোগ প্রত্যক্ষ করতে পেরে আমরা গভীরভাবে দুঃখিত, যেখানে বেসামরিক নাগরিক, নিরীহ শিশুরাই সংঘাতের বোঝা বহন করছে।

যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত এবং ওই অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে না আসা পর্যন্ত তুরস্ক কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদার করবে বলে এরদোগান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তির পাশে দাঁড়িয়েছি, আমরা চাই রক্তপাত বন্ধ হোক, অশ্রু বন্ধ হোক এবং আমাদের অঞ্চল অবশেষে সেই স্থায়ী শান্তি অর্জন করুক যা এটি দীর্ঘদিন ধরে আকাঙ্ক্ষা করেছিল।

প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, তুরস্কের অগ্রাধিকার হচ্ছে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং সংলাপের দরজা খুলে দেওয়া।

এরদোগান বলেন, ‘যদি প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ না করা হয়, তাহলে এই সংঘাত আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে।

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের প্রক্রিয়া যে অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা নিয়ে আসবে তা কেউ সহ্য করতে পারবে না। তাই এই আগুন আর ছড়িয়ে পড়ার আগেই নিভিয়ে দিতে হবে।