ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ
- আপডেট সময় : ০৮:২৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরুর তারিখ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক করার জন্য আগামী ৩ মার্চ থেকে অনলাইনে শুরু হবে টিকিট বিক্রি। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
এদিন কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের জন্য অগ্রিম টিকিট বিক্রি আগামী ৩ মার্চ থেকে শুরু হবে। আর ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২৩ মার্চ থেকে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবারও দুই অঞ্চলের টিকিট দুই ভাগে বিক্রি করা হবে। পশ্চিমাঞ্চলে চলাচল করা সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে সকালে এবং পূর্বাঞ্চলে চলাচল করা ট্রেনের টিকিট বিক্রি হবে দুপুরে।
এবার ঈদে ৫ জোটা-২০টি স্পেশাল ট্রেন যুক্ত করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
ফিরতি যাত্রার জন্যও আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঈদ শেষে রাজধানীসহ বিভিন্ন কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের সুবিধার্থে ২৩ মার্চ থেকে ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে। এ ক্ষেত্রেও অনলাইন পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, অনলাইনে টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম ও শর্তাবলি মেনে চলতে হবে। যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র বা নিবন্ধিত তথ্যের ভিত্তিতে টিকিট ইস্যু করা হবে। একই ব্যক্তি নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি টিকিট কিনতে পারবেন না—এমন সীমাবদ্ধতাও থাকছে, যাতে কালোবাজারি ও টিকিটের অপব্যবহার রোধ করা যায়।
প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদে ট্রেনযাত্রার চাহিদা ব্যাপক থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সড়কপথের যানজট ও অতিরিক্ত ভাড়া এড়াতে অনেকেই ট্রেনকে বেছে নেন। তাই অগ্রিম টিকিট সংগ্রহে যাত্রীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। এ বাস্তবতায় অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সার্ভার সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের সময়মতো লগইন করে নির্ধারিত সময়ে টিকিট সংগ্রহের পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে দালালচক্র থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা হয়রানির অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির এ সিদ্ধান্ত ঘরমুখো লাখো মানুষের যাত্রা পরিকল্পনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।




















