এবার বাকিতে এলপিজি আমদানির সুযোগ দিল সরকার
- আপডেট সময় : ০৫:১৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চরম সংকটের মুখে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এবার সংকট কাটিয়ে উঠতে বাকিতে এলপিজি আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলারে বলেছে, ক্রেডিটে আমদানির করা এলপিজি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করা হবে।
এখন থেকে দেশীয় ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট, বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বায়ার্স বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটে এলপিজি আমদানি করা যাবে।
সরবরাহ সংকটের কারণে রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে সংকট চলছে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে। আকারভেদে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫০ থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
সরকার এলপিজির দাম নির্ধারণ করে দিলেও সেই দরে বাজারে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। সংকটের কারণে গৃহস্থলি ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় রান্নার কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
এলপিজি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে আমদানি সহজ করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করা হয় এবং পরে গার্হস্থ্য কাজে ব্যবহারের জন্য সিলিন্ডারে ভরা হয়।
এলপিজি আমদানির পর সংরক্ষণ, সিলিন্ডারে ভরা এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে স্থানীয় আমদানিকারকদের অনেক সময় চলে যায়।
এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে, এলপিজি সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণের অধীনে আমদানির জন্য যোগ্য একটি শিল্প কাঁচামাল হিসেবে বিবেচিত হবে। ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন।
এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর জারি করা এক সার্কুলারে শিল্প কাঁচামাল আমদানিতে ২৭০ দিনের ইউজান্স পিরিয়ড সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এলপিজি আমদানিকারকরাও একই সুবিধা ভোগ করবেন।

























