ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাতার ও বাহরাইন থেকে কয়েকশ মার্কিন সেনা প্রত্যাহার

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:০৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের কাতার ও বাহরাইন থেকে আকস্মিকভাবে শত শত সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) পেন্টাগনের অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলা এবং এর জবাবে এই অঞ্চলে থাকা আমেরিকান বাহিনীগুলোর ওপর তেহরানের পাল্টা আঘাতের আশঙ্কায় একটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই এই সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনের তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি কাতারের ‘আল উদেইদ’ থেকে সেনাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই ঘাঁটিটিতে সাধারণত প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সৈন্য অবস্থান করে। একইসঙ্গে বাহরাইন থেকেও সেনা সরিয়ে নিয়েছে পেন্টাগন, যেখানে মার্কিন নৌবাহিনীর মর্যাদাপূর্ণ পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর অবস্থিত। এ দুই দেশ ছাড়াও বর্তমানে ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে আমেরিকান বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘ মহাসচিবকে দেওয়া এক কড়া চিঠিতে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানি মিশনের প্রধান জানান, ইরানের ওপর কোনো ধরনের হামলা হলে এ অঞ্চলে থাকা শত্রু বাহিনীর সমস্ত ঘাঁটি, সুযোগ-সুবিধা এবং সম্পদ তাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এমন পরিস্থিতিতে যেকোনো অপ্রত্যাশিত ও অনিয়ন্ত্রিত পরিণতির জন্য সম্পূর্ণ ও প্রত্যক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রকেই দায় বহন করতে হবে।

এদিকে উদ্ভূত এ পরিস্থিতি এবং আকস্মিক সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে ইরান এবং এর আশপাশের অঞ্চল দেখভালের দায়িত্বে থাকা মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

নিউজটি শেয়ার করুন

কাতার ও বাহরাইন থেকে কয়েকশ মার্কিন সেনা প্রত্যাহার

আপডেট সময় : ০৫:০৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের কাতার ও বাহরাইন থেকে আকস্মিকভাবে শত শত সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) পেন্টাগনের অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলা এবং এর জবাবে এই অঞ্চলে থাকা আমেরিকান বাহিনীগুলোর ওপর তেহরানের পাল্টা আঘাতের আশঙ্কায় একটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই এই সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনের তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি কাতারের ‘আল উদেইদ’ থেকে সেনাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই ঘাঁটিটিতে সাধারণত প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সৈন্য অবস্থান করে। একইসঙ্গে বাহরাইন থেকেও সেনা সরিয়ে নিয়েছে পেন্টাগন, যেখানে মার্কিন নৌবাহিনীর মর্যাদাপূর্ণ পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর অবস্থিত। এ দুই দেশ ছাড়াও বর্তমানে ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে আমেরিকান বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘ মহাসচিবকে দেওয়া এক কড়া চিঠিতে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানি মিশনের প্রধান জানান, ইরানের ওপর কোনো ধরনের হামলা হলে এ অঞ্চলে থাকা শত্রু বাহিনীর সমস্ত ঘাঁটি, সুযোগ-সুবিধা এবং সম্পদ তাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এমন পরিস্থিতিতে যেকোনো অপ্রত্যাশিত ও অনিয়ন্ত্রিত পরিণতির জন্য সম্পূর্ণ ও প্রত্যক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রকেই দায় বহন করতে হবে।

এদিকে উদ্ভূত এ পরিস্থিতি এবং আকস্মিক সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে ইরান এবং এর আশপাশের অঞ্চল দেখভালের দায়িত্বে থাকা মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি