ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরে গিয়ে এসে শ্রমিক-কর্মচারীদের তোপের মুখে নৌ উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে অচল হয়ে পড়া চট্টগ্রাম বন্দরে এসে আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মচারীদের তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন। কয়েক’শ শ্রমিক-কর্মচারী বন্দর ভবনে প্রবেশের পথে উপদেষ্টার গাড়ি আটকে স্লোগান দেন। পরে বন্দর ভবনের ভেতরে হেঁটে ঢোকার সময়ও আশপাশে অবস্থান নিয়ে তারা বিক্ষোভ চালিয়ে যান।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বন্দর ভবনে উপদেষ্টার প্রবেশকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন সরাসরি ঢাকা থেকে সকাল সোয়া ১০টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে পৌনে ১১টার দিকে তাকে বহনকারী গাড়িবহর চট্টগ্রাম বন্দরের অদূরে কাস্টমস মোড়ে এসে পৌঁছায়।

উপদেষ্টার গাড়ির সামনে ও পেছনে পুলিশের নিরাপত্তার গাড়ি ছিল। উপদেষ্টার পেছনের গাড়িতে ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, যিনি বিমানবন্দর থেকেই উপদেষ্টার সঙ্গে বন্দর ভবনে আসছিলেন।

নৌপরিবহন উপদেষ্টার চট্টগ্রাম বন্দরে আগমনের খবর পেয়ে সকাল থেকেই আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শত শত শ্রমিক-কর্মচারী বন্দর ভবনের অদূরে ৪ নম্বর জেটিগেট থেকে কাস্টমস মোড়সহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন।

পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বন্দরের নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা সকাল থেকেই অন্যান্য দিনের তুলনায় কঠোর অবস্থানে ছিলেন।

উপদেষ্টার গাড়িবহর কাস্টমস মোড়ে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে আশপাশে অবস্থানরত আন্দোলনকারী শ্রমিক-কর্মচারীরা বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে দিতে গাড়ি আটকে দেন। এ সময় ‘ডিপি ওয়ার্ল্ডের দালালেরা—হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘গো ব্যাক অ্যাডভাইজার গো ব্যাক’, ‘মা মাটি মোহনা—বিদেশিদের দেব না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়। অনেকে উপদেষ্টার গাড়ির সামনে গিয়ে ‘ভুয়া ভুয়া’, ‘দালাল দালাল’ বলেও স্লোগান দেন।

প্রায় ১৫ মিনিট গাড়িবহর আটকে থাকার পর পুলিশ নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করে গাড়িগুলোকে বন্দর ভবনের ভেতরে নিয়ে যায়। গাড়ি মূল ফটক দিয়ে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তারক্ষীরা ফটক বন্ধের চেষ্টা করেন। তবে শতাধিক শ্রমিক-কর্মচারী স্লোগান দিতে দিতে বন্দর ভবনের ভেতরে ঢুকে পড়েন।

বন্দর ভবনের নিচে গাড়ি থেকে নেমে উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন ভেতরে প্রবেশের সময়ও শ্রমিক-কর্মচারীরা স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় পুলিশ ও বন্দরের নিরাপত্তারক্ষীদের পাহারায় তাকে দ্রুত লিফটে করে ভবনের উপরের তলায় উঠতে দেখা যায়।

জানা গেছে, নৌপরিবহন উপদেষ্টা বর্তমানে বন্দর ভবনে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ও সৃষ্ট অচলাবস্থা নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছেন।

এ দিকে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির কারণে বৃহস্পতিবারও চট্টগ্রাম বন্দরের সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। বহির্নোঙ্গর থেকে বন্দরের জেটিতে জাহাজ আসা-যাওয়া বন্ধ রয়েছে। পণ্য খালাসের জন্য আসা জাহাজগুলো জেটিতে ভিড়তে না পেরে নোঙরে অপেক্ষমাণ রয়েছে।

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ, আন্দোলন দমাতে হয়রানি ও দমন-পীড়ন বন্ধের দাবিতে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু হয়।

এর ফলে বন্দরের জিসিবি, সিসিটি ও এনসিটিসহ তিনটি টার্মিনাল এবং সব জেটিতে অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। জাহাজ থেকে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। কনটেইনার টার্মিনালগুলোতে যন্ত্রপাতির অপারেটররাও কাজে যোগ দেননি। বন্দরে পণ্য পরিবহনকারী যানবাহন প্রবেশ বন্ধ রয়েছে। ইয়ার্ড থেকে কনটেইনার ও পণ্য খালাস বন্ধ আছে। পাশাপাশি ১৯টি অফডক থেকে বন্দরে কনটেইনার পরিবহনও বন্ধ রয়েছে।

এর আগে গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ও রোববার দুই দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মবিরতি পালন করে বিএনপিপন্থী দুই সংগঠন—চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এবং চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী সাবেক সিবিএ।

তৃতীয় দিন সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর ডাকে একই সময় কর্মবিরতি পালিত হয়। তিন দিনই অধিকাংশ শ্রমিক-কর্মচারী কাজে যোগ না দেওয়ায় বন্দরের প্রায় সব অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে অচলাবস্থা তৈরি হয়।

এ পরিস্থিতিতে সোমবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে ১৫ জনকে বদলির সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকা বিএনপিপন্থী দুই শ্রমিক নেতাও রয়েছেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. বেলায়েত হোসেনের সই করা আদেশে দাফতরিক প্রয়োজনে বদলিপূর্বক সংযুক্তি দেওয়ার কথা জানানো হয়। এর মধ্যে আটজনকে পায়রা বন্দরে এবং সাতজনকে মোংলা বন্দরে বদলি করা হয়।

বদলি ও হয়রানির প্রতিবাদে এবং এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে মঙ্গলবার ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়। ওই কর্মসূচি শেষ হওয়ার আগেই মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ লাগাতার কর্মবিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে গিয়ে এসে শ্রমিক-কর্মচারীদের তোপের মুখে নৌ উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ১২:৩৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে অচল হয়ে পড়া চট্টগ্রাম বন্দরে এসে আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মচারীদের তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন। কয়েক’শ শ্রমিক-কর্মচারী বন্দর ভবনে প্রবেশের পথে উপদেষ্টার গাড়ি আটকে স্লোগান দেন। পরে বন্দর ভবনের ভেতরে হেঁটে ঢোকার সময়ও আশপাশে অবস্থান নিয়ে তারা বিক্ষোভ চালিয়ে যান।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বন্দর ভবনে উপদেষ্টার প্রবেশকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন সরাসরি ঢাকা থেকে সকাল সোয়া ১০টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে পৌনে ১১টার দিকে তাকে বহনকারী গাড়িবহর চট্টগ্রাম বন্দরের অদূরে কাস্টমস মোড়ে এসে পৌঁছায়।

উপদেষ্টার গাড়ির সামনে ও পেছনে পুলিশের নিরাপত্তার গাড়ি ছিল। উপদেষ্টার পেছনের গাড়িতে ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, যিনি বিমানবন্দর থেকেই উপদেষ্টার সঙ্গে বন্দর ভবনে আসছিলেন।

নৌপরিবহন উপদেষ্টার চট্টগ্রাম বন্দরে আগমনের খবর পেয়ে সকাল থেকেই আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শত শত শ্রমিক-কর্মচারী বন্দর ভবনের অদূরে ৪ নম্বর জেটিগেট থেকে কাস্টমস মোড়সহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন।

পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বন্দরের নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা সকাল থেকেই অন্যান্য দিনের তুলনায় কঠোর অবস্থানে ছিলেন।

উপদেষ্টার গাড়িবহর কাস্টমস মোড়ে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে আশপাশে অবস্থানরত আন্দোলনকারী শ্রমিক-কর্মচারীরা বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে দিতে গাড়ি আটকে দেন। এ সময় ‘ডিপি ওয়ার্ল্ডের দালালেরা—হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘গো ব্যাক অ্যাডভাইজার গো ব্যাক’, ‘মা মাটি মোহনা—বিদেশিদের দেব না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়। অনেকে উপদেষ্টার গাড়ির সামনে গিয়ে ‘ভুয়া ভুয়া’, ‘দালাল দালাল’ বলেও স্লোগান দেন।

প্রায় ১৫ মিনিট গাড়িবহর আটকে থাকার পর পুলিশ নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করে গাড়িগুলোকে বন্দর ভবনের ভেতরে নিয়ে যায়। গাড়ি মূল ফটক দিয়ে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তারক্ষীরা ফটক বন্ধের চেষ্টা করেন। তবে শতাধিক শ্রমিক-কর্মচারী স্লোগান দিতে দিতে বন্দর ভবনের ভেতরে ঢুকে পড়েন।

বন্দর ভবনের নিচে গাড়ি থেকে নেমে উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন ভেতরে প্রবেশের সময়ও শ্রমিক-কর্মচারীরা স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় পুলিশ ও বন্দরের নিরাপত্তারক্ষীদের পাহারায় তাকে দ্রুত লিফটে করে ভবনের উপরের তলায় উঠতে দেখা যায়।

জানা গেছে, নৌপরিবহন উপদেষ্টা বর্তমানে বন্দর ভবনে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ও সৃষ্ট অচলাবস্থা নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছেন।

এ দিকে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির কারণে বৃহস্পতিবারও চট্টগ্রাম বন্দরের সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। বহির্নোঙ্গর থেকে বন্দরের জেটিতে জাহাজ আসা-যাওয়া বন্ধ রয়েছে। পণ্য খালাসের জন্য আসা জাহাজগুলো জেটিতে ভিড়তে না পেরে নোঙরে অপেক্ষমাণ রয়েছে।

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ, আন্দোলন দমাতে হয়রানি ও দমন-পীড়ন বন্ধের দাবিতে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু হয়।

এর ফলে বন্দরের জিসিবি, সিসিটি ও এনসিটিসহ তিনটি টার্মিনাল এবং সব জেটিতে অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। জাহাজ থেকে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। কনটেইনার টার্মিনালগুলোতে যন্ত্রপাতির অপারেটররাও কাজে যোগ দেননি। বন্দরে পণ্য পরিবহনকারী যানবাহন প্রবেশ বন্ধ রয়েছে। ইয়ার্ড থেকে কনটেইনার ও পণ্য খালাস বন্ধ আছে। পাশাপাশি ১৯টি অফডক থেকে বন্দরে কনটেইনার পরিবহনও বন্ধ রয়েছে।

এর আগে গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ও রোববার দুই দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মবিরতি পালন করে বিএনপিপন্থী দুই সংগঠন—চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এবং চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী সাবেক সিবিএ।

তৃতীয় দিন সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর ডাকে একই সময় কর্মবিরতি পালিত হয়। তিন দিনই অধিকাংশ শ্রমিক-কর্মচারী কাজে যোগ না দেওয়ায় বন্দরের প্রায় সব অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে অচলাবস্থা তৈরি হয়।

এ পরিস্থিতিতে সোমবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে ১৫ জনকে বদলির সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকা বিএনপিপন্থী দুই শ্রমিক নেতাও রয়েছেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. বেলায়েত হোসেনের সই করা আদেশে দাফতরিক প্রয়োজনে বদলিপূর্বক সংযুক্তি দেওয়ার কথা জানানো হয়। এর মধ্যে আটজনকে পায়রা বন্দরে এবং সাতজনকে মোংলা বন্দরে বদলি করা হয়।

বদলি ও হয়রানির প্রতিবাদে এবং এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে মঙ্গলবার ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়। ওই কর্মসূচি শেষ হওয়ার আগেই মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ লাগাতার কর্মবিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করে।