ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ডে’ অংশ নেবে না ভ্যাটিকান

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড-এ অংশগ্রহণ করবে না ভ্যাটিকান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গতকাল মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘শান্তি বোর্ড-এর চেয়ারম্যান। এই বোর্ডটি প্রাথমিকভাবে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধের পর গাজা যুদ্ধবিরতি এবং ভূখণ্ডের পুনর্গঠন তত্ত্বাবধানের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

কিন্তু পরবর্তীতে এর উদ্দেশ্য পরিবর্তিত হয়ে বিভিন্ন ধরনের আন্তর্জাতিক সংঘাত সমাধানের দিকে বিস্তৃত হয়েছে, যার ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে এটিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘের প্রতিদ্বন্দ্বী তৈরি করতে চান।

সমালোচকরা আশঙ্কা করছেন, এটি জাতিসংঘের পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একক বিশ্বব্যবস্থা বা ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে ।

কার্ডিনাল পিয়েত্রো পারোলিন বলেছেন যে, জাতিসংঘ বিশ্বের শীর্ষ সংকটগুলো সমাধান করে থাকে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে যা সমাধান করা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জাতিসংঘই এই সংকট পরিস্থিতি পরিচালনা করে’ এটি এমন একটি বিষয় যার ওপর আমরা জোর দিয়েছি।’

গত জানুয়ারিতে দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ট্রাম্প তার ‘শান্তি বোর্ড’ চালু করার পর থেকে কমপক্ষে ১৯টি দেশ এর প্রতিষ্ঠাতা সনদে স্বাক্ষর করেছে।

স্থায়ী সদস্যপদ লাভের জন্য দেশগুলোকে ১ বিলিয়ন ডলার দিতে বলা হয়েছে এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণ সমালোচনার মুখে পড়েছে, যার দেশ ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ডে’ অংশ নেবে না ভ্যাটিকান

আপডেট সময় : ০৫:১৪:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড-এ অংশগ্রহণ করবে না ভ্যাটিকান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গতকাল মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘শান্তি বোর্ড-এর চেয়ারম্যান। এই বোর্ডটি প্রাথমিকভাবে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধের পর গাজা যুদ্ধবিরতি এবং ভূখণ্ডের পুনর্গঠন তত্ত্বাবধানের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

কিন্তু পরবর্তীতে এর উদ্দেশ্য পরিবর্তিত হয়ে বিভিন্ন ধরনের আন্তর্জাতিক সংঘাত সমাধানের দিকে বিস্তৃত হয়েছে, যার ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে এটিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘের প্রতিদ্বন্দ্বী তৈরি করতে চান।

সমালোচকরা আশঙ্কা করছেন, এটি জাতিসংঘের পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একক বিশ্বব্যবস্থা বা ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে ।

কার্ডিনাল পিয়েত্রো পারোলিন বলেছেন যে, জাতিসংঘ বিশ্বের শীর্ষ সংকটগুলো সমাধান করে থাকে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে যা সমাধান করা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জাতিসংঘই এই সংকট পরিস্থিতি পরিচালনা করে’ এটি এমন একটি বিষয় যার ওপর আমরা জোর দিয়েছি।’

গত জানুয়ারিতে দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ট্রাম্প তার ‘শান্তি বোর্ড’ চালু করার পর থেকে কমপক্ষে ১৯টি দেশ এর প্রতিষ্ঠাতা সনদে স্বাক্ষর করেছে।

স্থায়ী সদস্যপদ লাভের জন্য দেশগুলোকে ১ বিলিয়ন ডলার দিতে বলা হয়েছে এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণ সমালোচনার মুখে পড়েছে, যার দেশ ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণ করেছে।