ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব না দেওয়ায় ২১ প্রার্থীকে ইসির হুঁশিয়ারি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২১ জন প্রার্থীকে জেল-জরিমানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা না দেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনাও দিয়েছে সংস্থাটি।

রোববার (২৪ মে) ইসি কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত প্রার্থীদের দ্রুত নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দিতে বলা হয়েছে। এজন্য আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত শেষ সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যেও যারা হিসাব দিতে ব্যর্থ হবেন, তাদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের আওতায় সর্বনিম্ন ২ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রয়েছে।

ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করেননি, তাদেরকে রিটার্ন দাখিলের নিমিত্তে পূর্বে ৬ মে পর্যন্ত সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও যেসব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উক্ত সময়ের মধ্যেও ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করেননি, তাদেরকে রিটার্ন দাখিলের নিমিত্ত সর্বশেষ ১৪ জুন পর্যন্ত সময়সীমা বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে নির্বাচন কমিশন। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এই বর্ধিত সময়ের মধ্যে যারা হিসাব জমা দেবেন না, তাদের বিরুদ্ধে ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২’-এর অনুচ্ছেদ ৭৪ এর বিধান অনুযায়ী কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্যমতে, নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা না দেওয়া প্রার্থীরা হলেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মির্জা মোঃ শওকত আকবর (রওশন), সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদের হাবিব মোঃ ফারুক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির মো. আজিজুর রহমান সরকার, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মো. নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের নবাব মো. শামসুল হোদা, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আব্দুল হালিম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন এবং গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মো. আইনুর রহমান (জুয়েল) মিয়া।

তালিকায় আরও রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিবুল্লাহ খোকন, আমজনতার দলের মো. আলা উদ্দিন, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মো. আবু তৈয়ব, জাতীয় পার্টির মো. কামাল উদ্দিন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম এর আবুল কালাম, আমজনতার দলের মো. জালাল উদ্দীন রুমী, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মো. রফিকুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) মো. লিটন, খেলাফত মজলিসের শেখ মুশতাক আহমদ, নাগরিক ঐক্যের মো. এনামুল হক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফরিদুল আলম এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আবু সাঈদ মো. সূজাউদ্দীন।

ইসি জানায়, এই ২১ জন প্রার্থীকে দেওয়া নোটিশের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব না দেওয়ায় ২১ প্রার্থীকে ইসির হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৫:০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২১ জন প্রার্থীকে জেল-জরিমানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা না দেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনাও দিয়েছে সংস্থাটি।

রোববার (২৪ মে) ইসি কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত প্রার্থীদের দ্রুত নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দিতে বলা হয়েছে। এজন্য আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত শেষ সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যেও যারা হিসাব দিতে ব্যর্থ হবেন, তাদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের আওতায় সর্বনিম্ন ২ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রয়েছে।

ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করেননি, তাদেরকে রিটার্ন দাখিলের নিমিত্তে পূর্বে ৬ মে পর্যন্ত সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও যেসব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উক্ত সময়ের মধ্যেও ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করেননি, তাদেরকে রিটার্ন দাখিলের নিমিত্ত সর্বশেষ ১৪ জুন পর্যন্ত সময়সীমা বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে নির্বাচন কমিশন। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এই বর্ধিত সময়ের মধ্যে যারা হিসাব জমা দেবেন না, তাদের বিরুদ্ধে ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২’-এর অনুচ্ছেদ ৭৪ এর বিধান অনুযায়ী কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্যমতে, নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা না দেওয়া প্রার্থীরা হলেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মির্জা মোঃ শওকত আকবর (রওশন), সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদের হাবিব মোঃ ফারুক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির মো. আজিজুর রহমান সরকার, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মো. নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের নবাব মো. শামসুল হোদা, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আব্দুল হালিম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন এবং গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মো. আইনুর রহমান (জুয়েল) মিয়া।

তালিকায় আরও রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিবুল্লাহ খোকন, আমজনতার দলের মো. আলা উদ্দিন, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মো. আবু তৈয়ব, জাতীয় পার্টির মো. কামাল উদ্দিন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম এর আবুল কালাম, আমজনতার দলের মো. জালাল উদ্দীন রুমী, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মো. রফিকুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) মো. লিটন, খেলাফত মজলিসের শেখ মুশতাক আহমদ, নাগরিক ঐক্যের মো. এনামুল হক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফরিদুল আলম এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আবু সাঈদ মো. সূজাউদ্দীন।

ইসি জানায়, এই ২১ জন প্রার্থীকে দেওয়া নোটিশের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।