নয়া ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সুনাকের ইউক্রেনকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি
- আপডেট সময় : ১০:৪৪:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর ২০২২ ৩৭ বার পড়া হয়েছে
ব্র্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক তার সরকারের জন্য সামনে কঠিন আর্থিক চ্যালেঞ্জের বিষয়ে তাকে সতর্ক করা সত্বেও, মঙ্গলবার তিনি রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইউক্রেনকে সাহায্য করার অঙ্গীকার ব্যাক্ত করেছেন। খবর এএফপি’র।
১০ ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরে কথা বলার সময়, সুনাক রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে একটি ভয়ানক যুদ্ধ অভিহিত করে এর সফল সমাধান দেখতে হবে বলে উল্লেখ করেন।
এর আগে কনজারভেটিভ পার্টির নেতা ঋষি সুনাককে যুক্তরাজ্যের ৫৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত করেছেন রাজা তৃতীয় চার্লস। বাকিংহাম প্যালেসে রাজার কাছ থেকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণও পেয়েছেন তিনি।
এর মধ্য দিয়ে গত ২০০ বছরের ইতিহাসে ব্রিটেনের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই রাজনীতিক।
এর আগে, আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হতে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টার পর বাকিংহাম প্যালেসে যান ঋষি সুনাক। সেখানে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের সাথে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
ঋষি সুনাক ব্রিটেনে প্রথম ভারতীয় ও অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী হলেন তিনি। একইসঙ্গে শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-সেভেনের দ্বিতীয় অশ্বেতাঙ্গ সরকারপ্রধানও হলেন সুনাক। অক্সফোর্ড স্নাতক এই ধনকুবের ভারতীয় শিল্পপতি নারায়ণমূর্তির জামাতা।
১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কোনো ব্যক্তি। ২০০ বছরের বেশি সময় পর যিনি হলেন যুক্তরাজ্যের সর্বকনিষ্ঠ রাষ্ট্রনেতা। ২০১৫ সালে রিচমন্ড কেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ঋষি সুনাকের রাজনৈতিক জীবন।
সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার সক্ষমতা ও প্রবল আত্মবিশ্বাসের কারণে অল্প সময়েই কনজারভেটিভ দলের শীর্ষ নেতাদের তালিকায় নাম লেখান তিনি। ব্রেক্সিটের পক্ষে প্রচারাভিযানেও ছিলেন সক্রিয়। থেরেসা মে প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় ‘লোকাল গভর্নমেন্টের’ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০১৯ সালে বরিস জনসনের অর্থমন্ত্রী ছিলেন তিনি।
১৯৬০ সালে তার বাবা যশবীর ও মা উষা পূর্ব আফ্রিকা থেকে ব্রিটেনে আসেন। ১৯৮০ সালে সাউদাম্পটনে জন্মগ্রহণ করেন সুনাক। ঋষির আরেকটি পরিচয় হচ্ছে তিনি ভারতের শিল্পপতি ও ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা এন আর নারায়ণমূর্তির মেয়ের জামাতা এবং যুক্তরাজ্যের ২২২তম ধনী ব্যক্তি।
হ্যাম্পশায়ার ও উইনচেস্টার কলেজে স্কুল জীবন শেষে অক্সফোর্ডের লিংকন কলেজ থেকে ২০০১ সালে স্নাতক করেন তরুণ এই রাজনীতিবীদ। স্নাতকের পর গোল্ডম্যান সাকসে কাজ করেন। এরপর হেজ ফান্ড ফার্মের অংশীদার হিসেবে ছিলেন কয়েক বছর। ২০০৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানেফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে ফুলব্রাইট স্কলার হিসেবে এমবিএ করেন ব্রিটেনের এই নতুন প্রধানমন্ত্রী।























