ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে, উপেক্ষিত দেশের ফুটবলাররা

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:২৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশে ঘুরে গেল বিশ্বকাপ ট্রফি। সংক্ষিপ্ত এ সফরে ভক্তরা ছবি তোলার সুযোগ পেলেও উপেক্ষিত ছিলেন ফুটবলাররা। জাতীয় বা বয়সভিত্তিক কোনো দলের ফুটবলারকেই বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার আমন্ত্রণও জানানো হয়নি। যা নিয়ে সমালোচনা থাকলেও কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বাফুফে কর্তারা।

প্রত্যেক পেশাদার ফুটবলারের আজন্ম স্বপ্ন বিশ্বকাপের স্বাদ পাওয়া। বাংলাদেশের মতো বিশ্ব ফুটবলে পিছিয়ে থাকা দেশগুলোর জন্য অবশ্য বিশ্বকাপে অংশ নেয়াই বড় অর্জন। তবে সে পথও বাস্তবতা বিবেচনায় বেশ কঠিন।

স্বপ্নের বিশ্বকাপ ট্রফি সামনাসামনি দেখার মাধ্যমে কঠিন সে পথ পাড়ি দেওয়ার প্রেরণা পেতে পারেন ফুটবলাররা। কিন্তু বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ট্রফি এসে ঘুরে গেলেও তা দেখার সুযোগে ফুটবলাররাই যেন রয়ে গেলেন অবহেলিত।

গতকাল (বুধবার, ১৪ জানুয়ারি) কয়েক ঘণ্টার সফরে বাংলাদেশে আসা ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পান ফুটবল ভক্তরা। বিমানবন্দরে জামাল ভূঁইয়া ট্রফির সঙ্গে ছবি তুললেও জাতীয় পুরুষ, নারী ও বয়সভিত্তিক ফুটবল দলের বাকি সদস্যরা ছিলেন বঞ্চিত। ফুটবলারদের উপেক্ষার কারণ জিজ্ঞেস করা হয়েছিল বাফুফে কর্তার কাছে।

বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম বলেন, ‘আমাদের সময়টা খুব কম দেয়া হয়েছিল। আমরা চেয়েছিলাম কোকের কাছে কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক কোক আমাদের আরও সময় দিতে পারে নি। আমরা ফিফা কাছে গিয়েছিলাম তারাও সময় দিতে পারে নাই। আর সর্বোপরি ফিফা ট্রফির যে কোঅরডিনেটর তাকেও আমি ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই ফিফা ট্রফি দেখার তাদের যে প্রোটোকল রয়েছে, সে অনুসারে তারা আমাদের ম্যাক্সিমাম সময়টা দিয়েছে। সেই সময়ে এবার যথেষ্ট হয় নি।’

নিজেদের অসহায়ত্বের কথা শিকার করলেও ফুটবল এগিয়ে নিতে নিজেদের পরিকল্পনার কথা জানান সাঈদ হাসান কানন।

বাফুফে নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদ হাসান কানন বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে আমরা আগামী চার বছর বোর্ডে আছে, এই চার বছরে আমরা বাংলাদেশের তৃণমূলে ফুটবল ছড়িয়ে দেবো। বিভিন্ন জেলা থেকে খেলোয়াড় তৈরি করে এনে একটা ভালোমানের জাতীয় দল তৈরি করবো। যার মাধ্যমে আমরা আগামী দিনে এশিয়া কাপ ও ওয়ার্ল্ড কাপ খেলার স্বপ্ন দেখবো।’

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে, উপেক্ষিত দেশের ফুটবলাররা

আপডেট সময় : ০৪:২৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে ঘুরে গেল বিশ্বকাপ ট্রফি। সংক্ষিপ্ত এ সফরে ভক্তরা ছবি তোলার সুযোগ পেলেও উপেক্ষিত ছিলেন ফুটবলাররা। জাতীয় বা বয়সভিত্তিক কোনো দলের ফুটবলারকেই বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার আমন্ত্রণও জানানো হয়নি। যা নিয়ে সমালোচনা থাকলেও কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বাফুফে কর্তারা।

প্রত্যেক পেশাদার ফুটবলারের আজন্ম স্বপ্ন বিশ্বকাপের স্বাদ পাওয়া। বাংলাদেশের মতো বিশ্ব ফুটবলে পিছিয়ে থাকা দেশগুলোর জন্য অবশ্য বিশ্বকাপে অংশ নেয়াই বড় অর্জন। তবে সে পথও বাস্তবতা বিবেচনায় বেশ কঠিন।

স্বপ্নের বিশ্বকাপ ট্রফি সামনাসামনি দেখার মাধ্যমে কঠিন সে পথ পাড়ি দেওয়ার প্রেরণা পেতে পারেন ফুটবলাররা। কিন্তু বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ট্রফি এসে ঘুরে গেলেও তা দেখার সুযোগে ফুটবলাররাই যেন রয়ে গেলেন অবহেলিত।

গতকাল (বুধবার, ১৪ জানুয়ারি) কয়েক ঘণ্টার সফরে বাংলাদেশে আসা ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পান ফুটবল ভক্তরা। বিমানবন্দরে জামাল ভূঁইয়া ট্রফির সঙ্গে ছবি তুললেও জাতীয় পুরুষ, নারী ও বয়সভিত্তিক ফুটবল দলের বাকি সদস্যরা ছিলেন বঞ্চিত। ফুটবলারদের উপেক্ষার কারণ জিজ্ঞেস করা হয়েছিল বাফুফে কর্তার কাছে।

বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম বলেন, ‘আমাদের সময়টা খুব কম দেয়া হয়েছিল। আমরা চেয়েছিলাম কোকের কাছে কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক কোক আমাদের আরও সময় দিতে পারে নি। আমরা ফিফা কাছে গিয়েছিলাম তারাও সময় দিতে পারে নাই। আর সর্বোপরি ফিফা ট্রফির যে কোঅরডিনেটর তাকেও আমি ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই ফিফা ট্রফি দেখার তাদের যে প্রোটোকল রয়েছে, সে অনুসারে তারা আমাদের ম্যাক্সিমাম সময়টা দিয়েছে। সেই সময়ে এবার যথেষ্ট হয় নি।’

নিজেদের অসহায়ত্বের কথা শিকার করলেও ফুটবল এগিয়ে নিতে নিজেদের পরিকল্পনার কথা জানান সাঈদ হাসান কানন।

বাফুফে নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদ হাসান কানন বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে আমরা আগামী চার বছর বোর্ডে আছে, এই চার বছরে আমরা বাংলাদেশের তৃণমূলে ফুটবল ছড়িয়ে দেবো। বিভিন্ন জেলা থেকে খেলোয়াড় তৈরি করে এনে একটা ভালোমানের জাতীয় দল তৈরি করবো। যার মাধ্যমে আমরা আগামী দিনে এশিয়া কাপ ও ওয়ার্ল্ড কাপ খেলার স্বপ্ন দেখবো।’