ভারতের সিকিমে দফায় দফায় ভূমিকম্প অনুভূত
- আপডেট সময় : ১১:৫১:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
ভারতের হিমালয় কন্যা সিকিমে গত কয়েক ঘণ্টায় দফায় দফায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। অন্তত আট থেকে ১০ বার কম্পনে কেঁপে উঠেছে সিকিমের একাধিক এলাকা। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে পরপর কম্পন অনুভূত হয় সিকিমে। কেঁপে ওঠে নেপাল, চীনও। দার্জিলিং, কালিম্পং, শিলিগুড়িসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় এই কম্পন অনুভূত হয়। ভোর ৬টা পর্যন্ত অন্তত আরও ৫-৬টি ছোট আকারের আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।
ভূমিকম্পের উৎসস্থল সিকিমের গ্যালশিং অঞ্চল। খুব কম সময়ের ব্যবধানে পরপর কম্পন অনুভূত হয় সেখানে। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুসারে প্রথম কম্পন হয় গ্যালশিংয়ের ১০ কিলোমিটার গভীরে। রিখটার স্কেলে প্রথম কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। সময় ছিল ১টা ৯ মিনিট।
দ্বিতীয় কম্পন অনুভূত হয় রাত ১টা ১৫ মিনিটে। উৎসস্থল ছিল গ্যাংটকের ১০ কিলোমিটার গভীরে। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৩.১। এরপর রাত ২টা ৩ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয় সিকিমের মঙ্গনের ১০ কিলেমিটার গভীরে। কম্পনের মাত্রা ছিল ২.৫। রাত ২টা ২০ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয় সিকিমের নামচির ৫ কিলোমিটার গভীরে। রিখটার স্কেলে মাত্রা ৩.৯। রাত ২টা ৩০ মিনিটে কেঁপে ওঠে তিব্বত। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৪.৫।
পরপর কম্পন এবং আফটার শকের জেরে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে দার্জিলিং, মিরিক, কালিম্পং, শিলিগুড়িতে। ভূমিকম্পগুলোর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৫ থেকে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে, যা অত্যন্ত অগভীর হওয়ার কারণে কম্পন বেশি অনুভূত হয়েছে।
ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সিকিম ও সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ ‘ফল্ট লাইন’-এর ওপর অবস্থিত। বড় কম্পনের পর ছোট ছোট আফটারশক হওয়া স্বাভাবিক। মঙ্গলবারই রাতে কম্পন অনুভূত হয়েছিল কলকাতায়। সিকিমের ভূমিকম্পের পর মায়ানমার, তিব্বত এমনকী উত্তরপ্রদেশেও ভূকম্প অনুভূত হয়েছে।























