ঢাকা ০৯:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিশরীয় উড়োজাহাজ লিজে অনিয়ম, দুদকের অনুসন্ধান শুরু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০২২ ৬১ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মিশরীয় উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার অনিয়মের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। দুদকের উপপরিচালক সালাউদ্দিন এবং সহকারী পরিচালক জেসমিন আক্তারকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছে-সংস্থাটি।

সোমবার দুপুরে এ কমিটি বিমান বাংলাদেশের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র তলব করেছে। লিজের ঘটনা তদন্তের জন্য সংসদীয় কমিটি দুদকের কাছে সুপারিশ করেছে।

২০১৪ সালে পাঁচ বছরের চুক্তিতে ইজিপ্ট এয়ার থেকে বোয়িং ৭৭৭-২০০ ইআর উড়োজাহাজ দুটি লিজ নিয়েছিল বিমান। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফ্লাইট পরিচালনার পর একটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়।

উড়োজাহাজটি সচল রাখতে ইজিপ্ট এয়ার থেকেই ভাড়ায় আনা হয় আরেকটি ইঞ্জিন। দেড় বছরের মাথায় নষ্ট হয় বাকি ইঞ্জিনটিও।

উড়োজাহাজটি সচল রাখতে ইজিপ্ট এয়ার থেকে আবারও ভাড়ায় আনা হয় আরেকটি ইঞ্জিন। পরে ভাড়ায় আনা ইঞ্জিনও নষ্ট হয়ে যায়। সেই ইঞ্জিন মেরামত করতে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়।

তবে কোনও সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়নি। সে কারণে ইজিপ্ট এয়ার এবং মেরামতকারী কোম্পানি, উভয়কেই অর্থ দিতে হয়েছে বিমানকে। দুটি বোয়িং ৭৭৭-২০০ উড়োজাহাজের পেছনে পাঁচ বছরে বাংলাদেশ বিমানের ক্ষতি হয়েছে ১১শ’ কোটি টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

মিশরীয় উড়োজাহাজ লিজে অনিয়ম, দুদকের অনুসন্ধান শুরু

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০২২

মিশরীয় উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার অনিয়মের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। দুদকের উপপরিচালক সালাউদ্দিন এবং সহকারী পরিচালক জেসমিন আক্তারকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছে-সংস্থাটি।

সোমবার দুপুরে এ কমিটি বিমান বাংলাদেশের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র তলব করেছে। লিজের ঘটনা তদন্তের জন্য সংসদীয় কমিটি দুদকের কাছে সুপারিশ করেছে।

২০১৪ সালে পাঁচ বছরের চুক্তিতে ইজিপ্ট এয়ার থেকে বোয়িং ৭৭৭-২০০ ইআর উড়োজাহাজ দুটি লিজ নিয়েছিল বিমান। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফ্লাইট পরিচালনার পর একটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়।

উড়োজাহাজটি সচল রাখতে ইজিপ্ট এয়ার থেকেই ভাড়ায় আনা হয় আরেকটি ইঞ্জিন। দেড় বছরের মাথায় নষ্ট হয় বাকি ইঞ্জিনটিও।

উড়োজাহাজটি সচল রাখতে ইজিপ্ট এয়ার থেকে আবারও ভাড়ায় আনা হয় আরেকটি ইঞ্জিন। পরে ভাড়ায় আনা ইঞ্জিনও নষ্ট হয়ে যায়। সেই ইঞ্জিন মেরামত করতে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়।

তবে কোনও সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়নি। সে কারণে ইজিপ্ট এয়ার এবং মেরামতকারী কোম্পানি, উভয়কেই অর্থ দিতে হয়েছে বিমানকে। দুটি বোয়িং ৭৭৭-২০০ উড়োজাহাজের পেছনে পাঁচ বছরে বাংলাদেশ বিমানের ক্ষতি হয়েছে ১১শ’ কোটি টাকা।