ঢাকা ০২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সম্পর্ক পুনর্গঠনে ভারত সফর করবেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই সপ্তাহে ভারত সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য দ্বিগুণ করা এবং টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্য নিয়েই তার এই সফর।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এটি এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তার প্রথম সফর। ভারতের পর অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান সফরেও যাবেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প বাণিজ্য ও কূটনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করাই এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেই ভারতে আসছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি পা রাখবেন দিল্লিতে। বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে।

ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করার উদ্দেশ্যেই তাঁর এই সফর।

প্রধানমন্ত্রী কার্নি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক ব্যবস্থা ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছে। তার মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা ছাড়ার পরও আগের সেই পুরোনো ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার আশা করা উচিত হবে না।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির অনিশ্চয়তা বিবেচনায় রেখে কার্নি প্রধান এশীয় অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে আগে থেকে টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন।

গত মাসে তিনি কয়েক বছর ধরে স্থবির হয়ে থাকা সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে বেইজিং সফর করেন এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন।

কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমলে দু’দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। ট্রুডোর ভারত-বিদ্বেষী মনোভাবের প্রমাণ বারাবার মিলেছে। কিন্তু ট্রুডোর উত্তরসূরি কার্নি সেই পথে হাঁটতে নারাজ। নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করতে উদ্যোগী তিনি। এই আবহে তাঁর ভারত সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

কার্নি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘একটি অনিশ্চিত বিশ্বের মধ্যে কানাডা সেই বিষয়গুলোর ওপর মনোযোগ দিচ্ছে যা, আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বিদেশে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি যাতে দেশের বেশি স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়।’

তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডিয়ান গাড়ি, অ্যালুমিনিয়াম, কাঠ ও স্টিলের ওপর শুল্ক আরোপের ফলে কানাডার অর্থনীতির ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

কার্নি বলেছেন যে, কানাডার অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার জন্য দেশটিকে মার্কিন-বহির্ভূত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সম্পর্ক পুনর্গঠনে ভারত সফর করবেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:১৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই সপ্তাহে ভারত সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য দ্বিগুণ করা এবং টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্য নিয়েই তার এই সফর।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এটি এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তার প্রথম সফর। ভারতের পর অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান সফরেও যাবেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প বাণিজ্য ও কূটনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করাই এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেই ভারতে আসছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি পা রাখবেন দিল্লিতে। বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে।

ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করার উদ্দেশ্যেই তাঁর এই সফর।

প্রধানমন্ত্রী কার্নি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক ব্যবস্থা ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছে। তার মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা ছাড়ার পরও আগের সেই পুরোনো ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার আশা করা উচিত হবে না।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির অনিশ্চয়তা বিবেচনায় রেখে কার্নি প্রধান এশীয় অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে আগে থেকে টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন।

গত মাসে তিনি কয়েক বছর ধরে স্থবির হয়ে থাকা সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে বেইজিং সফর করেন এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন।

কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমলে দু’দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। ট্রুডোর ভারত-বিদ্বেষী মনোভাবের প্রমাণ বারাবার মিলেছে। কিন্তু ট্রুডোর উত্তরসূরি কার্নি সেই পথে হাঁটতে নারাজ। নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করতে উদ্যোগী তিনি। এই আবহে তাঁর ভারত সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

কার্নি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘একটি অনিশ্চিত বিশ্বের মধ্যে কানাডা সেই বিষয়গুলোর ওপর মনোযোগ দিচ্ছে যা, আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বিদেশে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি যাতে দেশের বেশি স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়।’

তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডিয়ান গাড়ি, অ্যালুমিনিয়াম, কাঠ ও স্টিলের ওপর শুল্ক আরোপের ফলে কানাডার অর্থনীতির ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

কার্নি বলেছেন যে, কানাডার অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার জন্য দেশটিকে মার্কিন-বহির্ভূত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করতে হবে।