ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাইবেরিয়ার বৈকাল হ্রদে ৭ চীনা পর্যটকসহ ৮ জনের মরদেহ উদ্ধার

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাশিয়ার সাইবেরিয়ায় অবস্থিত বিশ্বের গভীরতম হ্রদ বৈকালে দুর্ঘটনায় সাতজন চীনা পর্যটক ও একজন রুশ চালকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার পর্যটকবাহী একটি মিনিবাস হ্রদের জমাটবদ্ধ বরফের স্তরের ফাটল দিয়ে ১৮ মিটার (৫৯ ফুট) গভীরে তলিয়ে গেলে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

রুশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডুবুরিরা পানির নিচে থাকা ক্যামেরা ব্যবহার করে তলদেশ থেকে মোট আটটি মরদেহ উদ্ধার করেছেন। ইর্কুটস্ক অঞ্চলের গভর্নর ইগর কোবজেভ এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনায় নিহত চীনা পর্যটকদের মধ্যে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরও রয়েছে। তবে বাসে থাকা একজন পর্যটক বেঁচে ফিরতে সক্ষম হয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পর্যটকরা কোনো স্বীকৃত ট্যুর অপারেটরের সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে ভ্রমণ করছিলেন। গভর্নর কোবজেভ টেলিগ্রামে এক পোস্টে সতর্ক করে বলেন, “আমি আবারও মনে করিয়ে দিতে চাই, বৈকাল হ্রদের বরফের ওপর দিয়ে চলাচল এখন শুধু নিষিদ্ধই নয়, বরং প্রাণঘাতী।”

জানা যায়, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আরও দুটি পৃথক ঘটনায় ছয়জনকে উদ্ধার করা হয়েছে যারা গাড়িসহ বরফে আটকা পড়েছিলেন। গত জানুয়ারিতেও একই হ্রদে গাড়ি উল্টে এক চীনা পর্যটকের মৃত্যু হয়েছিল।

বর্তমানে এই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। হ্রদটির গভীরতা সর্বোচ্চ ১,৬৪২ মিটার (৫,৩৮৭ ফুট) হওয়ায় শীতকালে জমাট বরফের ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল প্রায়ই এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সূত্র: বিবিসি

নিউজটি শেয়ার করুন

সাইবেরিয়ার বৈকাল হ্রদে ৭ চীনা পর্যটকসহ ৮ জনের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১২:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাশিয়ার সাইবেরিয়ায় অবস্থিত বিশ্বের গভীরতম হ্রদ বৈকালে দুর্ঘটনায় সাতজন চীনা পর্যটক ও একজন রুশ চালকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার পর্যটকবাহী একটি মিনিবাস হ্রদের জমাটবদ্ধ বরফের স্তরের ফাটল দিয়ে ১৮ মিটার (৫৯ ফুট) গভীরে তলিয়ে গেলে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

রুশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডুবুরিরা পানির নিচে থাকা ক্যামেরা ব্যবহার করে তলদেশ থেকে মোট আটটি মরদেহ উদ্ধার করেছেন। ইর্কুটস্ক অঞ্চলের গভর্নর ইগর কোবজেভ এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনায় নিহত চীনা পর্যটকদের মধ্যে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরও রয়েছে। তবে বাসে থাকা একজন পর্যটক বেঁচে ফিরতে সক্ষম হয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পর্যটকরা কোনো স্বীকৃত ট্যুর অপারেটরের সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে ভ্রমণ করছিলেন। গভর্নর কোবজেভ টেলিগ্রামে এক পোস্টে সতর্ক করে বলেন, “আমি আবারও মনে করিয়ে দিতে চাই, বৈকাল হ্রদের বরফের ওপর দিয়ে চলাচল এখন শুধু নিষিদ্ধই নয়, বরং প্রাণঘাতী।”

জানা যায়, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আরও দুটি পৃথক ঘটনায় ছয়জনকে উদ্ধার করা হয়েছে যারা গাড়িসহ বরফে আটকা পড়েছিলেন। গত জানুয়ারিতেও একই হ্রদে গাড়ি উল্টে এক চীনা পর্যটকের মৃত্যু হয়েছিল।

বর্তমানে এই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। হ্রদটির গভীরতা সর্বোচ্চ ১,৬৪২ মিটার (৫,৩৮৭ ফুট) হওয়ায় শীতকালে জমাট বরফের ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল প্রায়ই এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সূত্র: বিবিসি