ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলো ইরান

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:২২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন দফার আলোচনার মধ্যেই আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এবিসি নিউজ।

ইরান জানিয়েছে, নিরাপত্তা ও নৌ চলাচল-সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহনে জড়িত এই প্রণালী সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিশেষ করে একই সময়ে সেখানে সামরিক মহড়া পরিচালিত হওয়ায় নিরাপত্তাজনিত বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হওয়ার কারণে এই পদক্ষেপ নিয়েছে তেহরান।

তবে এই ব্যতিক্রমী পদক্ষেপকে অনেক বিশ্লেষকই দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে। কারণ, এমন সময়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত আসলো যখন যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলটিতে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি জড়ো করেছে এবং কোনও চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে ইরানের ওপর হামলার হুমকিও দিয়েছে।

জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য অধ্যয়ন কর্মসূচির পরিচালক সিনা এজোদি এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘যেদিন তারা আমেরিকানদের সঙ্গে আলোচনা করছে, সেদিনই এই ঘটনা ঘটছে, এটা কাকতালীয় বলে আমি মনে করি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইরান বহু দশক ধরে নিজেকে পারস্য উপসাগরে নিয়ন্ত্রক হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে চেয়েছে। প্রণালী বন্ধ করে তারা মূলত এই বার্তাই দিতে চেয়েছে যে, সেখানে কারা নিয়ন্ত্রণ করছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলো ইরান

আপডেট সময় : ০৫:২২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন দফার আলোচনার মধ্যেই আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এবিসি নিউজ।

ইরান জানিয়েছে, নিরাপত্তা ও নৌ চলাচল-সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহনে জড়িত এই প্রণালী সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিশেষ করে একই সময়ে সেখানে সামরিক মহড়া পরিচালিত হওয়ায় নিরাপত্তাজনিত বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হওয়ার কারণে এই পদক্ষেপ নিয়েছে তেহরান।

তবে এই ব্যতিক্রমী পদক্ষেপকে অনেক বিশ্লেষকই দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে। কারণ, এমন সময়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত আসলো যখন যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলটিতে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি জড়ো করেছে এবং কোনও চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে ইরানের ওপর হামলার হুমকিও দিয়েছে।

জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য অধ্যয়ন কর্মসূচির পরিচালক সিনা এজোদি এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘যেদিন তারা আমেরিকানদের সঙ্গে আলোচনা করছে, সেদিনই এই ঘটনা ঘটছে, এটা কাকতালীয় বলে আমি মনে করি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইরান বহু দশক ধরে নিজেকে পারস্য উপসাগরে নিয়ন্ত্রক হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে চেয়েছে। প্রণালী বন্ধ করে তারা মূলত এই বার্তাই দিতে চেয়েছে যে, সেখানে কারা নিয়ন্ত্রণ করছে।’